তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গুরের বিভিন্ন মণ্ডল সভাপতিরা এবং দলের একাধিক নেতৃত্ব। এদিনের এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের সঙ্গে প্রার্থীর এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে অনেকেই কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ ও আশীর্বাদ নেওয়া যে দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তা স্পষ্ট এই ঘটনায়।
advertisement
আরও পড়ুন: এবার ওষুধে বাড়তি চাপ, ৭৬৭ জরুরি ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি! কবে বাড়ছে ওষুধের দাম?
ডাঃ অরূপ কুমার দাস বলেন, “ভারতবর্ষের সংস্কৃতি গুরু-কেন্দ্রিক। ইতিহাসে দেখা যায়, প্রতিটি রাজাকে পথ দেখাতেন কোনও না কোনও জ্ঞানী ব্যক্তি বা রাজগুরু। আজও সমাজকে সঠিক পথে চালনা করার দায়িত্ব সজ্জন ও গুণী মানুষের উপরেই বর্তায়।” তাঁর কথায়, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য সেই ধরনের একজন ব্যক্তি, যিনি সমাজকে দিশা দেখাতে সক্ষম।
তিনি আরও জানান, “আমরা সকল কার্যকর্তাদের নিয়ে দিশা পাওয়ার উদ্দেশ্যে আজ তাঁর বাড়িতে এসেছি। মাস্টারমশাই আমাদের আশীর্বাদ করেছেন, যেন আমরা সমাজকে জাগ্রত করে সিঙ্গুরে বিজেপির পতাকা উত্তোলন করতে পারি। উনিও আশাবাদী, আমরা এই কাজে সফল হব।”
এই সাক্ষাৎ শুধু সৌজন্য নয়, বরং নির্বাচনের আগে সংগঠনকে চাঙ্গা করা এবং কর্মীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সব মিলিয়ে সিঙ্গুরে ভোটের লড়াই যে ক্রমশ জমে উঠছে, তা বলাই বাহুল্য।






