প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন দেখতে পেয়ে এলাকার এক বাসিন্দা শো-রুমের মালিককে ফোন করে বিষয়টি জানান। এরপরই দ্রুত থানায় খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে সেভাবে তৎপরতা দেখায়নি। আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতেই, স্থানীয়রাই আগুন নেভাতে ঝাপিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ভোরের দিকে দমকলের ইঞ্জিন এসে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। যদিও আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই জানা গিয়েছে।
advertisement
পরবর্তীতে আরও দমকলের ইঞ্জিন আনা হয়। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৪২টি মোটরবাইক। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ছাড়াতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে গেলে ঘটনার তদন্ত শুরু করবে দমকল ও পুলিশ প্রশাসন।
আরও পড়ুন: ভারতীয় রেলের বড় পদক্ষেপ, হাওড়া-গোঘাট লাইনে যাত্রীদের বিরাট সুবিধা! দেওয়া হল নতুন স্টপেজ, জানুন
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোররাতে স্থানীয়দের চিৎকার শুনে বেরিয়ে আসেন সকলে। তখন গোটা শোরুমে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। আগুনের তাপ আশপাশের এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে। কিছু বুঝে উঠতে না পেরে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে তা কোনও কাজ দেয়নি। দমকল আস্তে অনেকটাই দেরি করেছে বলে অভিযোগ। ফলে গোটা শোরুম পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।






