ইতিহাস আর ভক্তির মেলবন্ধনে গড়ে উঠেছে প্রাচীন বন্দরনগরী তমলুক। আর সেখানেই গড়ে উঠেছে সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম তমলুকের বর্গভীমা মন্দির। বছরের শুরুতেই প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে শুরু হল প্রাচীন এই মন্দিরে নতুনভাবে নাটমন্দির তৈরির কাজ। ইতিমধ্যে নতুন নাটমন্দির গড়ে তোলার জন্য পুরানো নাটমন্দির ভেঙে ফেলা হয়েছে। আগামী তিনমাসের মধ্যে নতুনরূপে তৈরি করা হবে নতুন নাট মন্দির। যার কাজ ইতিমধ্যে চলছে জোরকদমে।
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের এই প্রাচীন মন্দির প্রায় হাজার হাজার বছরের পুরানো। পুরাণের কাহিনি অনুসারে জানা যায়, সতীর বাম পায়ের গোড়ালি পড়েছিল এখানে। এখানে দেবী বিরাজ করেন উগ্রতারা রূপে। দেবী বর্গভীমার টানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন এখানে।
তমলুকের প্রাচীন এই মন্দির নাটমন্দিরের থেকে প্রায় ১৫০ বছরের পুরানো। তখন চুন সুড়কি দিয়ে তৈরি হয়েছিল এই নাটমন্দির। তবে ২৫-৩০ বছর ধরে বেহাল হয়ে পড়ে নাটমন্দিরটি। নাটমন্দিরের ছাদও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বর্ষার সময় চুঁইয়ে জল পড়ে। আর এরপরই মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই নাটমন্দির ভেঙে ফেলে নতুন করে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এ বিষয়ে মন্দির পরিচালন কমিটির সম্পাদক শিবাজী অধিকারী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নাটমন্দিরটি বেহাল হয়ে পড়েছিল। এর ফলে বর্ষায় ছাদ থেকে জল পড়তো। তাই আমরা নতুনভাবে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নির্মাণ কাজের ফলে ভক্তদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সে বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।”
জানা গিয়েছে, পুরানো নাটমন্দিরের সমান মাপেই তৈরি করা হবে নতুন এই নাটমন্দির। নাটমন্দির ভেঙে ফেলার ফলে ভক্তদের যাতে পুজো দিতে কোনওরকম অসুবিধা না হয় সেজন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।





