advertisement

Sundarban News: বাঘের উপদ্রব রুখতে সুন্দরবনে বসল অত্যাধুনিক সৌরচালিত ডিভাইস! পাইলট প্রকল্পে চারপেয়ের নির্ভুল শনাক্তকরণ, কীভাবে কাজ করে এই যন্ত্র?

Last Updated:
Sundarban News: সুন্দরবনে মানুষ ও বাঘের সংঘাত রুখতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (WTI) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে রায়দিঘি রেঞ্জে ট্র্যাপ ক্যামেরার পাশাপাশি সৌরচালিত অত্যাধুনিক ডিভাইস বসানো হল।
1/6
সুন্দরবনে মানুষ ও বাঘের মধ্যে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (WTI), পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে রায়দিঘি রেঞ্জে অ্যানিমাল ইনট্রুশন ডিটেকশন অ্যান্ড রিপেলেন্ট সিস্টেম (ANIDERS) স্থাপন করা হল। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
সুন্দরবনে মানুষ ও বাঘের মধ্যে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (WTI), পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে রায়দিঘি রেঞ্জে অ্যানিমাল ইনট্রুশন ডিটেকশন অ্যান্ড রিপেলেন্ট সিস্টেম (ANIDERS) স্থাপন করা হল। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
2/6
এই উদ্যোগের উদ্দেশ হল, মানুষ ও বন্যপ্রাণীর পারস্পরিক সংঘাতজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। কুলতলি ব্লকের একাধিক গ্রাম জঙ্গল সংলগ্ন এবং গ্রামগুলি বাঘের আবাসভূমির সঙ্গে সীমানা ভাগ করে নিয়েছে। যার ফলে সারা বছর, বিশেষ করে শীতকালে গ্রামে বাঘ ঢুকে পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
এই উদ্যোগের উদ্দেশ হল, মানুষ ও বন্যপ্রাণীর পারস্পরিক সংঘাতজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। কুলতলি ব্লকের একাধিক গ্রাম জঙ্গল সংলগ্ন এবং গ্রামগুলি বাঘের আবাসভূমির সঙ্গে সীমানা ভাগ করে নিয়েছে। যার ফলে সারা বছর, বিশেষ করে শীতকালে গ্রামে বাঘ ঢুকে পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
3/6
সুন্দরবনে মানব-বাঘ সংঘাত মোকাবিলা ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (WTI) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগ যৌথভাবে রায়দিঘি রেঞ্জের অধীন হেড়োভাঙা-০৯ বন কম্পার্টমেন্টের নির্বাচিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ক্যামেরা ট্র্যাপের পাশাপাশি ANIDERS (অ্যানিমাল ইনট্রুশন ডিটেকশন অ্যান্ড রিপেলেন্ট সিস্টেম) স্থাপন করছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
সুন্দরবনে মানব-বাঘ সংঘাত মোকাবিলা ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (WTI) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগ যৌথভাবে রায়দিঘি রেঞ্জের অধীন হেড়োভাঙা-০৯ বন কম্পার্টমেন্টের নির্বাচিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ক্যামেরা ট্র্যাপের পাশাপাশি ANIDERS (অ্যানিমাল ইনট্রুশন ডিটেকশন অ্যান্ড রিপেলেন্ট সিস্টেম) স্থাপন করছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
4/6
ANIDERS একটি অ-ঘাতক, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা। যা মানববসতিপূর্ণ এলাকায় বন্যপ্রাণীর অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং প্রাণীটি আশপাশের গ্রামে প্রবেশ করার আগেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন বিভাগকে সতর্ক করা। ( তথ্য ছবি সুমন সাহা)
ANIDERS একটি অ-ঘাতক, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা। যা মানববসতিপূর্ণ এলাকায় বন্যপ্রাণীর অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং প্রাণীটি আশপাশের গ্রামে প্রবেশ করার আগেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন বিভাগকে সতর্ক করা। ( তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
5/6
প্রতিটি ডিভাইস তার কেন্দ্রবিন্দু থেকে ১৮০° কোণে ন্যূনতম ২৫ থেকে ৩০ মিটার এলাকা কাভার করতে সক্ষম এবং প্রতিটি ইউনিট অ-নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে চালিত হয়। এই পাইলট প্রকল্পটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাস্তবায়িত হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পরিচালনাগত নির্ভরযোগ্যতা, শনাক্তকরণের নির্ভুলতা এবং বাঘের অনুপ্রবেশ কমাতে যন্ত্রগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা যায়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
প্রতিটি ডিভাইস তার কেন্দ্রবিন্দু থেকে ১৮০° কোণে ন্যূনতম ২৫ থেকে ৩০ মিটার এলাকা কাভার করতে সক্ষম এবং প্রতিটি ইউনিট অ-নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে চালিত হয়। এই পাইলট প্রকল্পটি বর্তমানে সীমিত পরিসরে ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাস্তবায়িত হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পরিচালনাগত নির্ভরযোগ্যতা, শনাক্তকরণের নির্ভুলতা এবং বাঘের অনুপ্রবেশ কমাতে যন্ত্রগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা যায়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
6/6
ইতিমধ্যে চারটি বসানো হয়েছে। এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, শনাক্তকরণের নির্ভুলতা এবং বাঘের অনুপ্রবেশ রোধে কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা হবে। যার ফলে প্রাণীর চলাচলের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে বন দফতর। উত্তরপ্রদেশের পিলিভিত ও কাতারনিয়াঘাটে সফল প্রয়োগের পর প্রথমবার সুন্দরবনে এটি চালু হল। এতে বোঝা যাবে খাল বা বনাঞ্চল থেকে গ্রামে বাঘ ঢোকার ঘটনা কতটা কমানো যায়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
ইতিমধ্যে চারটি বসানো হয়েছে। এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, শনাক্তকরণের নির্ভুলতা এবং বাঘের অনুপ্রবেশ রোধে কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা হবে। যার ফলে প্রাণীর চলাচলের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে বন দফতর। উত্তরপ্রদেশের পিলিভিত ও কাতারনিয়াঘাটে সফল প্রয়োগের পর প্রথমবার সুন্দরবনে এটি চালু হল। এতে বোঝা যাবে খাল বা বনাঞ্চল থেকে গ্রামে বাঘ ঢোকার ঘটনা কতটা কমানো যায়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
advertisement
advertisement