দিঘা থেকে কলকাতাগামী ওই বাস পর্যটক ও নিত্যযাত্রীদের নিয়ে রওনা দিয়েছিল। ভোরের ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল গোটা এলাকা। ঠিক সেই সময় আচমকাই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে চারপাশ। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি রোলারে সজোরে ধাক্কা মারে বাসটি। মুহূর্তের মধ্যে দুমড়েমুচড়ে যায় বাসের সামনের অংশ।
advertisement
দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল, বাসের সামনের অংশ ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় কাঁচ। যাত্রীরা আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন। ভোরবেলার কুয়াশার কারণে রাস্তার দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম ছিল। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিক অনুমান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তার পাশে নির্মাণকাজের জন্য রোলারটি দাঁড়িয়ে ছিল। কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকায় সেটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। যদিও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বিকট শব্দ শুনে আশেপাশের বাড়ি থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। বাসের ভিতর আটকে পড়া যাত্রীদের একে একে বাইরে বের করে আনা হয়। কেউ গুরুতর আহত না হলেও বেশ কয়েকজন সামান্য চোট পান। স্থানীয়দের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মত অনেকের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজও শুরু হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নন্দদুলাল চক্রবর্তী নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “ভোরবেলা হঠাৎ একটা প্রচণ্ড শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসি। দেখি রোলারের সঙ্গে ধাক্কা মেরে দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে একটি বাস। আমরা কয়েকজন মিলে দ্রুত যাত্রীদের নামাতে সাহায্য করি। কুয়াশা খুব ঘন ছিল, কিছুই ঠিকমতো দেখা যাচ্ছিল না।” এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর নেই। ঘন কুয়াশার মরশুমে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে আরও সতর্কতার প্রয়োজন মত স্থানীয় প্রশাসনের।






