কাঁথি কলেজের নিউট্রিশন ও ফিজিওলজি বিভাগের উদ্যোগে, আইকিউএসি ও ইন্টার্নশিপ সেলের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে এই ফুড ফেস্টিভ্যাল। পড়ুয়ারা শুধু গতানুগতিক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ নয়, তার প্রমাণ মিলছে এখানে। পড়ুয়ারাই নিজের হাতে তৈরি করেছে নানা ধরনের খাবার। দেশি পদ যেমন রয়েছে, তেমনই চাইনিজ ও সাউথ ইন্ডিয়ান খাবারও নজর কেড়েছে। কোথাও ঝাল ফাস্ট ফুড, কোথাও আবার মিষ্টি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পদ। স্টলগুলির সাজসজ্জাও আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। অনেক স্টলে দেখা গেছে ভিন রাজ্যের খাবারের স্টাইল। আবার কোথাও খাঁটি ঘরোয়া রান্নার ছোঁয়া।
advertisement
আরও পড়ুন: আতঙ্ক দূর করতে পথে জওয়ানরা! জলপাইগুড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী, টহল এলাকায়
প্রতিটি স্টলে দেখা গেছে পড়ুয়াদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি। কেউ রান্নায় ব্যস্ত। কেউ হাসিমুখে খাবার পরিবেশন করছে। কেউ আবার ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে খাবারের বিশেষত্ব বোঝাচ্ছে। এই উৎসব তাদের কাছে শুধু আনন্দ নয়, শেখার বড় সুযোগ। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা অর্জন করছে তারা। কীভাবে গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলতে হয়, কীভাবে খাবার পরিবেশন করতে হয়, সবই শিখছে হাতে কলমে। অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা সারাক্ষণ পাশে থেকেছেন। খাবারের মান, পরিবেশন পদ্ধতি ও অতিথি আপ্যায়ন নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। মোট ৫৩টি স্টল অংশ নিয়েছে এই আয়োজনে। দুশোর বেশি পড়ুয়া সরাসরি যুক্ত হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অধ্যাপকদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ পড়ুয়াদের আত্মনির্ভর হতে শেখায়। দলগতভাবে কাজ করার অভ্যাস তৈরি হয়। ব্যবসার প্রাথমিক ধারণাও তৈরি হয় তাদের মধ্যে। একটি উদ্যোগে কত খরচ হয়, কত লাভ হতে পারে—সব কিছু তারা নিজেরাই বুঝতে পারছে। বিক্রয় কৌশল ও যোগাযোগ দক্ষতাও বাড়ছে। কলেজ ক্যাম্পাসে এমন আয়োজন ঘিরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। খাবারের স্বাদ যেমন মানুষকে টানছে, তেমনই পড়ুয়াদের পরিশ্রম প্রশংসা কুড়িয়েছে সকলের। আয়োজকদের আশা, আগামী দিনেও এই ফুড ফেস্টিভ্যাল আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে।





