অভিযানের সময় শিকারিরা পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের পাখি ধরার জাল উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একটি মোটরবাইক ফেলে রেখে যায় তারা। যা পরে উদ্ধার করে স্থানীয় থানায় জমা করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরেই সন্ধ্যার সময় ওই এলাকায় জাল পেতে পাখি ধরার কাজ চলছিল। নজরদারি চালিয়ে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। যদিও কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
advertisement
তবে শিকারচক্রের সক্রিয় উপস্থিতির স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া জাল ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যাতে তা পুনরায় ব্যবহার করা না যায়। ছোট আকারের এই ভরুই বা বগারি পাখি পরিযায়ী প্রকৃতির। খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের জন্যই এদের নির্বিচারে শিকার করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবেশবিদদের মতে, এই ধরনের শিকার চলতে থাকলে প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বর্ধমানের পরিবেশপ্রেমী অর্ণব দাস বলেন, “এই পাখিগুলি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের নির্বিচারে শিকার বন্ধ করা জরুরি। প্রশাসনের কড়া নজরদারির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোও খুব দরকার।” গোটা ঘটনায় শিকারিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে এবং কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।






