স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের এক উপভোক্তা দাবি করেছেন যে তাঁর প্রাপ্য ঘর তৈরির টাকা রহস্যজনকভাবে অন্য এক ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। শুধু তাই নয়, প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। টাকা দেওয়ার পরও ঘর না পাওয়া এবং অর্থ অন্যত্র চলে যাওয়ায় তিনি প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিও ও পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
advertisement
যদিও দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনসুর আলাম সমস্ত কাটমানির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে যাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তবে দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় প্রায় ৩,৪০০ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা পৌঁছেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ‘জিও ট্যাগিং’ বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এই বিভ্রাট ঘটতে পারে। যদিও প্রশাসন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এদিকে ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছে, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে বড়সড় অনিয়ম চলছে এবং গরিব মানুষের প্রাপ্য অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে।






