TRENDING:

East Bardhaman News: সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, কিন্তু রাত হলে ঘরে মন টেকে না! অবলাদের টানে রোজ বেরিয়ে পড়ে নন্দিনী

Last Updated:

East Bardhaman News: সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। তবুও পরীক্ষার্থীর দিন কাটছে অন্যভাবে। অবলা পথকুকুরদের মুখে খাবার তুলে দিতে প্রতিদিন বাবার সাইকেলে চেপে বেরিয়ে পড়েন তিনি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মানেই অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর রাত জেগে পড়াশোনার ব্যস্ততা। কিন্তু পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরে এবছরের এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রাত কাটছে অন্যভাবে। গভীর রাতে বই-খাতা নয়, পথ কুকুরদের জন্য খাবার নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে নন্দিনী বেগম। তবে এই কাজ নতুন নয়। বিগত কয়েক বছর ধরেই এই দায়িত্ব পালন করে চলেছে নন্দিনী।
advertisement

রাতের শহর যখন নিস্তব্ধ, তখন বাবাকে সঙ্গে নিয়ে সাইকেলে চেপে বেরিয়ে পড়ে সে। সঙ্গে থাকে ভাত, মুরগির মেটে সহ বেশ কিছু খাবার। কাটোয়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১০০টি পথ কুকুরের মুখে খাবার তুলে দেয় নন্দিনী। তার কথায়, লকডাউনের সময় থেকেই এই কাজের শুরু। খাবারের অভাবে অসহায় হয়ে পড়া পথ কুকুরগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্যই তার এই পথচলা। এই বিষয়ে নন্দিনী বলেন, “বহু বাঁধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়েছে। কুকুরদের খাবার খাওয়ালে অনেকের অসুবিধা হয়।

advertisement

আরও পড়ুন: শীতের শেষবেলায় জমাটি ঠান্ডা পাহাড়ে, মজা লুটে নিচ্ছেন পর্যটকরা! আগামী সপ্তাহে ঘুরে যেতে পারে খেলা

তাই সবাই যখন ঘুমিয়ে যায়, গভীর রাতে আমি খাবার খাওয়াতে বেরোয়।” প্রতিদিন রাত বারোটায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাবা-মেয়ে ফিরছে প্রায় রাত তিনটেয়। কুকুরদের জন্য রান্না হয় প্রায় ১০ কেজি চালের ভাত। মাস শেষে খাবারের খরচ দাঁড়ায় বড় অঙ্কে। নন্দিনীর বাবা পেশায় একজন গৃহশিক্ষক। টিউশন পড়িয়ে যা সামান্য রোজগার হয়, তা দিয়েই মেয়ের এই মানবিক উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। যদিও কিছু মানুষ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মাঝেমধ্যে সাহায্য মেলে, তবু আর্থিক চাপ থেকেই যায়।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বাংলার অন্যতম প্রাচীন আটচালা মন্দির, জড়িয়ে রয়েছে কৃষ্ণচন্দ্র রায় ও তার পিতার স্মৃতি
আরও দেখুন

পথ কুকুরদের খাবার খাওয়ানো নিয়ে কটূক্তিও শুনতে হয় নন্দিনীকে। কিন্তু সেসব উপেক্ষা করেই সে আজও পাশে দাঁড়ায় অবলা প্রাণীগুলির। নন্দিনীর বাবা মহম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, “যতদিন পারবো আমি ওর পাশে থাকবো। আশা রাখি ও ভবিষ্যতে চাকরী পেয়ে এভাবেই পথ কুকুরদের পাশে থাকবে।”গভীর রাতে, যখন চারপাশে কেউ থাকে না, তখন পথ কুকুরদের কাছে একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে কাটোয়া শহরের এই পড়ুয়া নন্দিনী। পরীক্ষার চাপের মধ্যেও মানবিকতার যে দৃষ্টান্ত সে তৈরি করেছে, তা সত্যিই অনন্য।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, কিন্তু রাত হলে ঘরে মন টেকে না! অবলাদের টানে রোজ বেরিয়ে পড়ে নন্দিনী
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল