Study Tips: পুজোয় অঞ্জলী-ঠাকুর দেখা শেষে নিয়ম করে পড়তে বসা...NET-এ সেরা ফল! সাফল্যের আসল সিক্রেট জানিয়ে দিলেন লোপামুদ্রা
- Reported by:RAKESH MAITY
- Published by:Ankita Tripathi
Last Updated:
লোপামুদ্রা জানালেন তাঁর এই সফলতার পেছনে রয়েছে হার না মানা লড়াই। দু'বার আশাস্বরুপ ফল হয়নি। তারপর প্রস্তুতি ছিল আরও নিখুঁত। দু'বারের ভুল নিজের খামতি চিহ্নিত করে তা সংশোধন এবং আরও বেশি বিগত বছর গুলির নিট পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করে নিজেকে প্রস্তুত করা।
হাওড়া, রাকেশ মাইতি: NET-এ নজর কারা সাফল্য হাওড়ার লোপামুদ্রা’র! এই সাফল্যের পেছনে কেমন ছিল প্রস্তুতি। লোপামুদ্রা জানালেন তাঁর এই সফলতার পেছনে রয়েছে হার না মানা লড়াই। এর আগে দু’বার নিট পরীক্ষায় লক্ষ্য পূরণ হয়নি। হেরে যাওয়া নয়, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া এবং নিট পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছনই ছিল মূল লক্ষ্য। রিসার্চ ফেলোশিপ বা জেআরএফ না পেয়ে।
অনেকেই তাতে হতাশ হয়ে পড়লেও। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এগিয়েছে লোপামুদ্রা। আর তাতেই তৃতীয়বারে লক্ষ্য পূরণ। জেআরএফ হয়ে সারা দেশে নজর কারা সাফল্য মিলেছে। লোপামুদ্রা’র প্রাপ্ত নম্বর ৩০০ এর মধ্যে ২৩২, যা বাংলা ও সারা দেশে প্রথম সারিতে।
advertisement
advertisement
লোপামুদ্রা জানায়, দু’বার আশাস্বরুপ ফল হয়নি। তারপর প্রস্তুতি ছিল আরও নিখুঁত। দু’বারের ভুল নিজের খামতি চিহ্নিত করে তা সংশোধন এবং আরও বেশি বিগত বছর গুলির নিট পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করে নিজেকে প্রস্তুত করা।
advertisement
এই লড়াইয়ে বাবা মা এবং সে শিক্ষক শিক্ষিকার অবদান অনস্বীকার্য বলে জানায় সে। আরও জানায়, সারা বছর কোনও দিন লেখা পড়া বন্ধ যায়নি। উৎসব থেকে বঞ্চিত রেখে কোন কিছু সম্ভব নয়, আবার উৎসবে শামিল হয়েও লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া যায়। সে মানসিকতা থেকেই, দুর্গা পুজোয় অঞ্জলী-ঠাকুর দেখা শেষে নিয়ম করে পড়তে বসা ছিল উৎসব মুখরিত দিনে রুটিন। আর সাধারণ দৈনিক পড়ার রুটিন ছিল ১০ ঘণ্টা। তবে পরীক্ষার সময় বেড়ে ১৮-১৯ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাত।
advertisement
লোপামুদ্রা জানায়, দু’বার সফল না হয়ে থেমে যাইনি। কেন সফল না হওয়া , সেই সমস্ত ভুল খুঁজে আরও নিখুঁত ভাবে অনুশীলন করা। আর কখনও একটা দিনের জন্যও নিজেকে লেখাপড়া থেকে দূরে রাখিনি। আরও জানায়, পুজোর ছুটি বা অন্যান্য সময় গ্রামের বাড়িতে যাওয়া। শহর থেকে গ্রামের গেলে নেটওয়ার্কের জন্য সমস্যা হত। সেখানে বাড়ির ছাদে গিয়েও লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া। উৎসব অনুষ্ঠান বা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান, যে কোন পরিস্থিতিতে নিয়ম করে লেখাপড়া চলেছে।
advertisement
হাওড়া শ্যামপুরে গ্রামের বাসিন্দা হলেও কলকাতায় লেখাপড়া। শিবপুরের ফ্ল্যাট বাড়িতে বেশি সময় থাকা। স্নাতক স্তরেও অসাধারণ ফল করেছিলেন লোপামুদ্রা৷ তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে গোল্ড মেডেল পান৷ এরপর মাস্টার্স যাদবপুর থেকে। পড়াশোনার পাশাপাশি ভাল লাগার বিষয় গান শোনা আর পশু পাখিদের সঙ্গে সময় কাটানো।
advertisement
প্রথম থেকেই লক্ষ্য একজন ভাল গবেষক হওয়া। রবীন্দ্র সাহিত্য নিয়ে গবেষণা এবং অধ্যাপনা ইচ্ছা রয়েছে বলে জানায় সে। লোপামুদ্রার মা সঞ্চিতা তরফদার জানা পেশায় স্কুল শিক্ষিকা। বাবা কমলকান্তি জানা ফাইন আর্টসের পেশাদার। এই সাফল্যে ভীষণ ভাবে উৎসাহ ও সহযোগিতা বাবা-মা শিক্ষক-শিক্ষিকার।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Feb 09, 2026 5:55 PM IST









