প্রতি বছর দোল উৎসবে অট্টহাসে আয়োজিত হয় মহাপুজো। চার দিন ব্যাপী চলা এই উৎসবের সূচনা হয় দোল পূর্ণিমার দিন। কবিগুরুর গানের তালে তালে শুরু হয় বসন্ত উৎসব। এর পর একে একে নিজস্ব রীতি রেওয়াজ মেনে পুজো অনুষ্ঠান হয়। যার মধ্যে থাকে নাম সংকীর্তনও। পার্শ্ববর্তী এলাকা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে অনেকে সামিল হন এই উৎসবে। অট্টহাস সতীপীঠ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই দোল উৎসবই সতীপীঠের মহাপুজো। এই প্রসঙ্গে অট্টহাসের সেবক রামজি মহারাজ বলেন, “এটাই এখানকার প্রধান উৎসব।
advertisement
ভক্তদের জন্য দোল উৎসবের পরের দিন প্রদাস গ্রহণের এক বিরাট আয়োজন করা হয়। দোল পূর্ণিমার দিন দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ এসে ভিড় জমান।” দোল উৎসবের দিন কয়েক আগে থেকেই এখানে শুরু হয় প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, ৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই পীঠে এই পুজোকে কেন্দ্র করে দোলের পরের দিন মহোৎসবের আয়োজন করা হয়। যেখানে প্রায় তিরিশ হাজার ভক্তের প্রসাদ গ্রহণের বন্দোবস্ত করা হয় মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই আয়োজন সবটুকুই তাঁরা করেন ভক্তদের দান থেকেই। চার দিন ব্যাপী চলা এই উৎসবের তৃতীয় দিন বাউল গান, কবি গান সহ নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয় মেলা চত্বরে। এই উৎসব উপলক্ষে স্থানীয় মহিলা দ্বারা পরিচালিত নাটক এবং বহিরাগত দলের যাত্রা পালারও আয়োজন করা হয়। এই উৎসবকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের উৎসাহ উদ্দীপনা থাকে চোখে পড়ার মত। প্রত্যেকের বাড়িতেই আত্মীয় স্বজনরা আসেন এই উৎসবে যোগ দিতে। ঈশানি নদীর ধারে, জঙ্গল ঘেরা এক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত এই সতীপীঠটি।যেখানে জঙ্গলের মাঝে বিরাজ করছেন মা মহামায়া। দোল উৎসবকে ঘিরে বর্তমানে যেখানে উৎসবের আমেজ।





