বুধবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ১৯ নং জাতীয় সড়কের গলসি থানার অন্তর্গত গলিগ্রাম এলাকায়।বেনাচিতি-কৃষ্ণনগর রুটের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি ট্রাকে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার তীব্রতা এতই সাংঘাতিক ছিল যে বাসের সামনের অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। যাত্রীদের আর্তনাদে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক মহিলা যাত্রী। জখম প্রায় ৩০ জন যাত্রী।
advertisement
ভেঙে চুরমার বাসের সামনের অংশ
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেনাচিতি-কৃষ্ণনগর রুটের বাসটি বর্ধমান অভিমুখে আসার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা ট্রাকে সজোরে ধাক্কা মারলে দুমড়ে মুচড়ে যায় বাসের সামনের অংশ। ঘটনায় আহত হন বহু বাসযাত্রী। তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় এক মহিলা যাত্রীর। বাকিদের চিকিৎসা চলছে।
এক বাস যাত্রী দুর্ঘটনা ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে জানান, “বাসটি বেনাচিতি থেকে কৃষ্ণনগর যাচ্ছিল। দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় গলসির গোহগ্রামের কাছে হঠাৎই কিছুর সঙ্গে একটা জোর ধাক্কা লাগে। আমরা বাসের পিছন দিকে ছিলাম। বাসের সামনের অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। পরে দেখি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পিছনে বাসটি সজরে ধাক্কা মেরেছে। প্রায় ৩০ জন মতো যাত্রী আহত হয়েছে। শুনলাম একজন মারাও গিয়েছেন।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান হাসপাতালে আসেন জামালপুরের বিদায়ী বিধায়ক তথা গলসি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অলোক কুমার মাঝি। তিনি বলেন, “গলসির গোহগ্রাম এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে দেখতে এলাম। খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল সমগ্র ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। শুনলাম একজন মহিলা মারা গিয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে কথা হয়েছে আহতদের তৎপরতার সঙ্গে চিকিৎসা চলছে।”






