গ্রামে ঢুকলেই আপনি দেখতে পাবেন প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে চলছে ডোকরা শিল্পের কাজ। গ্রামে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ পরিবারের বসবাস। প্রত্যেকেই এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। কীভাবে ডোকরার বিভিন্ন জিনিস তৈরি করছেন শিল্পীরা তা চাক্ষুষ দেখতে পাবেন। কতটা পরিশ্রম করতে হয় একটা ডোকরার জিনিস তৈরি করতে, জানতে পারবেন এই গ্রামে গেলেই।
advertisement
থাকা অথবা খাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করবেন না। এই গ্রামের মধ্যে রয়েছে স্বল্প খরচে থাকার ব্যবস্থা। গ্রামের সেক্রেটারি শুভ জানিয়েছেন ,তাঁর বাড়িতেই হয়ে যাবে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা। আপনি চাইলে বাইরের অন্যান্য হোটেল থেকেও খাবার আনিয়ে নিতে পারেন। প্রায়ই এই গ্রামে দূরদূরান্ত থেকে অনেকেই আসেন। চাইলে এই গ্রামের শিল্পীদের কাছ থেকে ডোকরার কাজও শিখতে পারেন। তবে ডোকরার কাজ শেখার জন্য কিছু টাকা প্রদান করতে হবে।
ইতিমধ্যে দ্বারিয়াপুরের এই ডোকরা শিল্পের কাজ পৌঁছে দিয়েছে বিদেশের মাটিতেও। বিদেশ থেকেও অনেকে এসেছেন এই গ্রামে ডোকরার কাজ শেখার জন্য। এই গ্রামের মধ্যেই রয়েছেন পাঁচজন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিল্পী। একবার হলেও ঘুরে আসুন আউশগ্রামের দ্বারিয়াপুরে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে আসবেন এই গ্রামে। সবার প্রথমে বাস অথবা ট্রেনে করে আসতে হবে গুসকরা। এখান থেকে টোটো অথবা বাসে করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যাবেন এই গ্রামে। তবে যদি থাকতে চান তাহলে আগে থেকে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।





