সময়ের চাহিদা বুঝে শিল্পীরা এখন তৈরি করছেন কাঠের আসবাবপত্র, নকশা করা ঘড়ি, টেবিল-চেয়ার, ফটো ফ্রেম, ঠাকুর রাখার দোলনা, শোপিস-সহ আরও বিভিন্ন ব্যবহারিক ও ডেকোরেটিভ সামগ্রী। আধুনিক ডিজাইন ও ফিনিশিং এই সমস্ত পণ্যের চাহিদা বাড়িয়ে তুলেছে বহুগুণ।
advertisement
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে অনলাইন মাধ্যমে। নতুনগ্রামের বহু শিল্পীর নিজস্ব অনলাইন পেজ ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। ফলে এখন আর বিক্রি শুধুমাত্র হাট-বাজার বা মেলায় সীমাবদ্ধ নয়। ফেসবুক পেজ, অনলাইন অর্ডার এবং ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বাইরে এমনকি দেশ-বিদেশেও। নেটদুনিয়ার দৌলতে এই গ্রাম আজ বিশ্বমঞ্চে নিজের পরিচয় গড়ে তুলছে।
শিল্পী সুদেব ভাস্কর বলেন, “আমাদের বিক্রি এখন ভালই হয়। এই নতুন নতুন জিনিসের চাহিদা বেড়েই চলেছে।” একসময় চাহিদা কমে যাওয়ায় কিছুটা সংকটে পড়েছিলেন শিল্পীরা। কারণ তখন অধিকাংশই একই ধরনের ঐতিহ্যবাহী পণ্য তৈরি করতেন। বাজারের রুচি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই চাহিদায় ভাটা পড়ে। তবে হতাশ না হয়ে শিল্পীরা বেছে নেন নতুন পথ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ডিজাইন ও পণ্যে আনেন বৈচিত্র্য। আর তাতেই ঘুরে দাঁড়ায় নতুনগ্রাম।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আজ নতুনগ্রাম অনেকের কাছে ‘শিল্পীগ্রাম’। আবার কারও কাছে ‘কাঠপুতুলের গ্রাম’। তবে এখন এই পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক কাঠশিল্পের এক নতুন অধ্যায়। বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বর্তমানে অনলাইন বিপণন ও আধুনিক নকশার হাত ধরে নতুনগ্রামের শিল্পীরা শুধু স্বনির্ভরই নন, স্বাচ্ছন্দ্যেও জীবনযাপন করছেন।





