এই আবির তৈরির ফলে চামড়ার উপর কোনও প্রভাব পড়ছে না। ফলে চাহিদা বেড়েছে দিনের পর দিন। এই আবির নিয়ে বিক্রি করা এক বিক্রেতা মুক্তেশ্বর পাল জানিয়েছেন, আগের থেকে অনেক ভাল আবির তৈরি হচ্ছে, দামও কম থাকছে।
আরও পড়ুন: চুপি এখন অতীত! বর্ধমানেই হদিশ মিলল নতুন পাখিরালয়ের, সপ্তাহান্তে ঘুরে আসুন, মন ভরে যাবে গ্যারান্টি
advertisement
এই আবির তৈরি করার ক্ষেত্রে কোনও কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না ৷ সেজন্য এই আবিরে ত্বকের কোনও ক্ষতি হয় না। এই আবির কলকাতা থেকে শুরু করে কাকদ্বীপ, নামখানা, ডায়মন্ডহারবার, ক্যানিং, পাথর প্রতিমা, বজবজ-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দোলের তিন মাস আগে থেকেই এই কাজ শুরু হয়। মাটির জিনিসপত্র যারা বিক্রি করেন, তাঁরাই মূলত এই আবির কিনে নিয়ে যান এবং বাজারে বিক্রি করেন। তাঁরা জানিয়েছেন, রংয়ের তুলনায় আবিরের চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে ৷ প্রতিবছর এখান থেকেই তাঁরা আবির কিনে নিয়ে যান৷ এ বছরও তাঁরা আবির কিনতে এসেছিলেন৷ জেলায় এখানকার আবিরের সুনাম থাকায় এখান থেকেই আবির কেনেন সকলেই। এই আবিরের দাম কমায় খুশি সকলেই।





