তবে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সেটা একদমই না, এর পাশাপাশি তিনি রামপুরহাট কলেজের প্রফেসর ছিলেন বহু বছর। তবে হঠাৎ কেন রাজনীতিতে যোগদান আশিস বাবুর! কবে থেকে রাজনীতি করছেন তিনি?
আরও পড়ুন: ক্যারাম খেলে সাসপেন্ড হয়েছে জওয়ান! এমন ঘটনা এড়াতে এবার বৈঠক নোডাল অফিসারের
এ বিষয়ে তিনি আমাদের জানান, ‘‘১৯৭৫ সালে আমি কলেজে অধ্যাপনায় যোগ দিয়েছিলাম, আমি আমার ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করছি। আমি এখানে ১৯৬৮ সাল থেকে এই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ১৯৭০ সালের পর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হই। তখন আমি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের জেনারেল সেক্রেটারি পদে যুক্ত হয়েছিলাম।”
advertisement
‘‘সেই সময় ছাত্র পরিষদের যে স্টেট লেভেল তার মেম্বার হই। এমন ভাবেই ধীরে ধীরে আমার রাজনীতিতে যোগদান। তারপরে আমি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হই। এখানে সম্পাদকের পদে দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তারপরে কোষাধ্যক্ষ হয়েছি, জেনারেল সেক্রেটারি হয়েছি এমন বিভিন্ন পদের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম। তবে এর মাঝে রাজনৈতিক কারণে আমার সঙ্গে দলের বিরোধ সৃষ্টি হয়। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর কার্যক্রম আমাকে যথেষ্ট আকৃষ্ট করে। এরপরে ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা হয় তখন আমি তৃণমূলে যোগদান করি।’’
আরও পড়ুন: ঠিক কী ভাবে মৃত্য়ু? আজ ময়নাতদন্ত, তারপরে রাহুলের দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে
আশিসবাবুর কথায়, ‘‘আর একটা কথা না বললেই নয়, তখন আমাকে কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী। তখন তিনি বোলপুরে সভায় এসেছিলেন এবং আমাদের যতজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তাঁদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন এরাই আসল কংগ্রেস। ১৯৯৮ সালের পরে ২০০১ সালে আমরা নির্বাচনে দাঁড়াই। ২০০১ সালে মানুষ আমাকে নির্বাচিত করে এরপর ২০০৬,২০১১,২০১৬,২০২১ পরপর পাঁচবার আমি নির্বাচিত হয়েছি। এবার ষষ্ঠ বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। এর জন্য লড়াই করে চলেছি, আর এটাই আমার জীবনের শেষ লড়াই।’’





