১৯৫৫ সালে কোপাই এবং বক্রেশ্বর নদী ঘেরা এই অঞ্চলকে নিয়ে কালজয়ী উপন্যাস লিখেছিলেন সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরে সরকার বদলেছে একাধিকবার তবে উন্নয়নের প্রশ্নে লাভপুরের এই অঞ্চল উপেক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ। এরপরেই তারাশঙ্করের জন্মভিটে থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের হাঁসুলি বাঁকে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে উদ্যোগী হল বীরভূম জেলা প্রশাসন। জানা যায়, আনুমানিক ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা বাজেট রয়েছে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য।
advertisement
পরিকাঠামোর অভাবের জন্য এই হাঁসুলী বাঁক দীর্ঘদিন ধরে পর্যটক, সাধারণ মানুষের কাছে ছিল অনেকটা স্বপ্নের মতো। উপকথা পড়ে তাঁরা নিজেদের মতো করে ভেবে নিতেন হাঁসুলী বাঁককে। কিন্তু এবার বাস্তবের ছোঁয়া পাবে পর্যটক ও সাধারণ মানুষ। লাভপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তরুণ চক্রবর্তী জানান “আনুমানিক প্রায় পাঁচ বছর আগে লাভপুর পঞ্চায়েত সমিতি এবং ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে সেখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তার জন্য যাবতীয় কাজ প্রায় হয়ে গিয়েছিল, তবে কাজ শুরু হয়ে যাওয়ার আগেই জমিজট নিয়ে একটি সমস্যার সৃষ্টি হয়।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তিনি আরও জানান “জমিজটের সমস্যার কারণে সমস্ত পরিকল্পনা আবার নতুনভাবে করতে হয়, আমরা সেই নদীর ধারে যে সমস্ত মানুষের জমি রয়েছে তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলি, তাদের মধ্যেই একজন জমি দান করতে রাজি হয়, জমিটা পাওয়ার পরেই আবার নতুন করে সমস্ত পরিকল্পনা সাজাতে হয়। তবে দিন কয়েক আগেই পর্যটন দফতর এসে জায়গাটি দেখে গেছেন, স্কিম হয়ে গিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাপ্রুভ হয়ে গেলেই কাজ শুরু হবে। আর পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ মিলবে।”





