আড়াই বছরের সেই “সাধের” চুল বিসর্জন দিয়েছেন তিনি। কাঁচির আঘাতে যখন লম্বা চুলগুলো মেঝেতে পড়ছে, তখন হয়তো একটুও দুঃখ হয়নি তাঁর। কারণ তিনি জানেন, এই চুল দিয়ে তৈরি হবে পরচুলা, যা কোনও ক্যান্সার যোদ্ধার মাথায় উঠবে। যে মেয়েটির আয়নায় নিজেকে দেখে লজ্জা লাগত, যে ছেলেটি স্কুলে বন্ধুদের হাসির পাত্র হয়ে উঠত, তাদের মনের মধ্যে আবার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে এই দান।
advertisement
বীরভূমের এই তরুণ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মোহাম্মদ সাহিল শেখ শুধু চুলই দান করেননি, একটা গভীর এবং সুন্দর মন ছুঁয়ে যাওয়ার মত বার্তা দিয়েছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন সৌন্দর্য শুধু বাইরের নয়, মনের গভীরতায়ও। হাজার মানুষের কটাক্ষ সহ্য করে, সময় দিয়ে, ধৈর্য ধরে যে কাজটা তিনি করেছেন, সেটা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সাহিল বলেন, ” আমার এই ছোট্ট পদক্ষেপে আজ অনেক ক্যান্সার লড়াকুর মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলবে। আর সেই হাসিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। এমন মানবিকতা আরও ছড়িয়ে পড়ুক, আরও অনেকে এগিয়ে আসুক। কারণ একটা চুলের টানেই কারও আত্মসম্মান ফিরে আসতে পারে। আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন মানুষের কাছে চুল বড় থাকার কারণে বিভিন্ন মন্তব্যের শিকার হয়েছি। তবে অনেকের খারাপ মন্তব্যকে আমি এড়িয়ে চলেছি।” সাধারণত মহিলারা এই ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে এলেও, সাহিলের মতো একজন যুবকের এই পদক্ষেপ রীতিমতো ব্যতিক্রমী।





