কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট শান্তরূপ দে বলেন, জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা মাধ্যমিক তাই অনেকেই মনে করেন অনেক পড়াশোনা করব পরীক্ষার জন্য কিন্তু একটানা অনেকক্ষণ পড়াশোনা করতে কী ভয় বিপদ। সৃষ্টি হয় মানসিক চাপের এই সময় পড়াশোনা করার সবচেয়ে ভাল উপায় হল দীর্ঘক্ষণ একটানা পড়াশোনার না করে কিছু সময় বাদে বাদে পড়াশোনা করা। এক দু ঘন্টা পড়াশোনা তারপর আবার কিছুটা সময় বিরতি তারপর আবার পড়াশোনা, এই পদ্ধতিতে পড়াশোনা করলে মানসিক চাপ অনেকটাই কম হয়।
advertisement
দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনার ফলে অনেকেরই মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় সেই সময় কীভাবে করবেন হেল্প কাউন্সিলিং? পরীক্ষার্থীদের এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া উচিত? কী করলে বেশি মনে থাকবে পড়া? অভিভাবকদের কী করা উচিত ?
কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট বলেন, বর্তমান প্রজন্মের প্রায় সকলের মধ্যেই মুখরোচক খাবার খাওয়ার প্রবণতা থাকে কিন্তু এই সময় সেইসব খাবার থেকে বিরত থাকাই ভালো। তার পরিবর্তে ঘরোয়া খাবার খাওয়া উচিত এবং প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া উচিত চাপ কমাতে।
আর পরীক্ষা সামনে তাই একেবারে খেলাধুলা বন্ধ এটা না করে পড়াশোনার হবে আধ ঘন্টা খেলাধুলা বা অন্য কোন ফিজিক্যাল এক্টিভিটির মধ্যে থাকা উচিত তাহলে পড়া আরও ভালো মনে থাকবে। পাশাপাশি বর্তমানে ডিজিটাল পড়াশোনার প্রবণতা বেশি কিন্তু পরীক্ষার আগে এই মুহূর্তে স্ক্রিন টাইম কম করে খাতা পেনে পড়াশোনা করাই শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পরীক্ষা সামনে বলে অনেক সময় অভিভাবকরা বাইরে যেতে দেন না পড়ুয়াদের ফলে চার দেওয়ালে বন্দি থাকার ফলে অতিরিক্ত মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। যা পড়ুয়াদের ভালো হওয়ার পরিবর্তে খারাপই হয়। তাই পরীক্ষার সময় পড়াতে একটা না চার দোকানে বন্দি করে না রেখে পড়াশোনার ফাঁকে অন্তত আধঘন্টা সময় দেওয়া উচিত তাদের মত কাটানোর জন্য।





