জানা যাচ্ছে, নাম বিচারাধীন থাকায় ভোট কর্মীর পরিচয় পত্র পেলেন না তিনি। এমনকি পোর্টালেও নাম তোলা হয়নি তার। এই বিষয়ে প্রশিক্ষণের পর একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।
advertisement
আব্দুল হাই বলেছেন, “আমার ২২ বছরের চাকরি জীবনে প্রচুর ভোটে ডিউটি করেছি। তবে এইবার এস আই আর এর জন্য ভোটার তালিকায় আমার নাম বিচারাধীন রয়েছে। পরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরলেও আমার নাম তাতে ওঠেনি। প্রত্যেকটা নথি দুই দুইবার করে জমা দিয়েছি। শুধুমাত্র আব্দুল হাই এবং আব্দুল হাই শেখ এই নামের ছোট হের ফেরের কারণে এখনও পর্যন্ত আমাকে ভুগতে হচ্ছে।
কী হবে ভেবে খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে।”
আব্দুল হাই আরও জানিয়েছেন যে, বিগত কয়েক পুরুষ ধরেই কড়িশুন্ডা গ্রামে বসবাস করছি, বাংলাদেশ থেকে আসিনি। কখনও নিজের এলাকাতে এরকম পরিস্থিতিতে পড়ব ভাবিনি। নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারব কিনা বুঝতে পারছি না। ১২৯ নং বুথের বিএলআরও জানান, “সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে যাদের নাম আসেনি তাদের জন্য বারবার বিডিও অফিসে যাওয়ার পরও কিছু উত্তর মেলেনি। আমার কাছে অফিসিয়ালি কোনও খবর নেই।”
এই পুরো ঘটনায় শিক্ষা কর্মী আব্দুল হাই এবং তার পরিবার দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে নাম না উঠলে কী হতে চলেছে সেটা ভেবেই ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। অপরদিকে ভোটের প্রশিক্ষণ পেয়েও পরিচয়পত্র না পেয়ে আরও অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হয়েছেন শিক্ষা কর্মী আব্দুল হাই।
Neelanjan Banerjee






