গ্রামের মহিলা ও পুরুষ উভয়েই সারা বছর ধরে বাঁশের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। ঝুড়ি, খাচি, কুলো-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী তৈরি করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন তারা। এই হস্তশিল্পই আজ তাদের প্রধান জীবিকার উৎস হয়ে উঠেছে। এর ফলে শুধু ব্যক্তিগত আয়ই বাড়ছে না, পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিও শক্তিশালী হচ্ছে।
advertisement
বাঁশের হস্তশিল্পে মহিলাদের যোগ
গ্রামের মহিলাদের মধ্যে কবিতা মাহালী, সম্পা মাহালী বলেন, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে এসে তারা এই কাজ শেখেন এবং ধীরে ধীরে দক্ষতা অর্জন করেন। বর্তমানে নিজেদের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করে তারা আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন। সংসারের খরচ বহন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো, সব ক্ষেত্রেই তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
আরও পড়ুনঃ নেই কোনও হাসপাতাল! গুরুতর রোগীকে নিয়ে ছুটতে হয় শহরে, মন্তেশ্বরে লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা আতান্তরে
মহিলাদের এই অংশগ্রহণ শুধু আর্থিক উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সামাজিক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। সন্তানদের শিক্ষার খরচ বহন করা, সংসারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে পাথরিয়াগোড়া গ্রাম আজ গ্রামীণ স্বাবলম্বিতার এক শক্তিশালী দৃষ্টান্ত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, পরিশ্রম এবং আত্মনির্ভরতার মানসিকতা শুধু তাঁদের নিজেদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেনি, বরং গোটা গ্রামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোতেও ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেছে। তাদের এই উদ্যোগ ও অদম্য প্রচেষ্টা এখন অন্য গ্রামগুলির কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছে।





