বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আচার সামাজিক ঐক্য ও সম্প্রীতির এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। বাঙালি হিন্দু বিবাহ রীতি মেনেই সম্পন্ন হয় এই বিয়ে। সাতপাকে ঘোরা, মালাবদল, জলসাজ সবকিছুই নিয়ম মেনে পালিত হয়। বিয়ের পর আতশবাজির প্রদর্শনী উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে তোলে।
এই বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ হল যৌতুকের আয়োজন। যৌতুক না বলে বলা ভাল উপহার। শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা খাট, আলমারি, শাড়ি, এমনকি মোটরসাইকেল বা চারচাকা গাড়ির মতো সামগ্রীও যৌতুক হিসেবে দেন শিব পার্বতীকে। যদিও অনুষ্ঠান শেষে সেই সামগ্রী ফিরিয়ে নেওয়া হয়-এটাই এখানকার প্রচলিত রীতি।
advertisement
এছাড়াও দর্শনার্থীদের জন্য থাকে প্রসাদের ব্যবস্থা। বিভিন্ন মন্দিরে লুচি, আলুর দম, খিচুড়ি ও মিষ্টি পরিবেশন করা হয়। একসময় যোগনাথ মন্দির ও বুড়ো শিব মন্দিরে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে চারিচারা বাজার শিব মন্দির, দণ্ডপানিতলা শিব মন্দিরে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। প্রাচীন এই ঐতিহ্য আজও একই আড়ম্বরে পালিত হয়ে চলেছে নবদ্বীপে।





