মৃত ওই সরকারি কর্মচারী খয়রাশোলের বিডিও অফিসের কর্মরত ছিলেন। তার নাম অরূপ পাঁজা। খয়রাশোলের বিডিও অফিসে কাজ করলেও তিনি সিউড়ির ডাঙ্গালপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ওই সরকারি কর্মচারীর এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়, ভেঙে পড়েছে শোকোস্তব্ধ পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা।
advertisement
মৃত অরূপ বাজার স্ত্রী রেনুকা পাঁজা এই সমস্ত ঘটনার জন্য অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিডিওর দিকে। তাঁর অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের বাইরেও তাকে কাজ করানো হত। অমানসিক কাজের চাপ দেওয়া হত। খাওয়া-দাওয়ার টাইমও পেতেন না কাজের চাপে। বাড়িতে কোনওদিন রাত ১২টা, আবার কোনওদিন রাত ১টার সময় ফিরতেন। এছাড়াও কাজের জন্য অফিসে বিভিন্ন সময় তাকে অপমান করা হত। এই সকল সমস্ত কিছু সামলাতে না পেরেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অরূপ পাঁজা শারীরিক দিক দিয়েও অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও তাকে প্রতিদিন দেরিতে বাড়ি আসতে দেওয়া হত। গতকাল রবিবার রাতেও প্রায়ই রাত একটার কাছাকাছি বাড়ি ফেরেন। রাতে ঠিকঠাক ঘুমালেও সকালে এমন কাণ্ড ঘটান।
ঘটনার পর সোমবার দমকল বাহিনীর কর্মীরা ওই সরকারি কর্মচারীর মৃতদেহ থেকে উদ্ধার করতে এলে পরিবারের লোকেরা বাধা দেন। তারা দাবি করেন, বিডিওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত দেহ নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। যদিও পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
