তার এই উদ্যোগ রীতিমত প্রশংসা কুড়িয়েছে এলাকায়। টেলিফোন দফতরের কর্মীরা আশেপাশের খুঁটিগুলিকে উপড়ে নিয়ে গেলেও এই খুঁটিটিকে নিয়ে যায়নি। খাঁচার মধ্যে পাখিদের বসবাস দেখে ফিরে গিয়েছেন তারা। ভাঙা ঝুড়ি, ভাঙা প্লাস্টিকের বালতি, সাইকেলের খাঁচা এগুলি দিয়েই তারাপদ বাবু বানিয়েছেন পাখির বাসা। এ বিষয়ে তারাপদ সিংহদেও বলেন, তিনি বিগত পাঁচ -ছয় বছর থেকে এই কাজ করছেন।
advertisement
আগে একটা সময় ছিল পাখিদের জন্য মানুষ নিজেদের বাড়িতে হাড়ি রাখত। এখন সেসব আর দেখা যায় না। তাই তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে এই কাজ করছেন। এতে পাখির সংখ্যাও অনেক বেড়েছে। এ বিষয়ে এলাকার বাসিন্দা বংশীবাদল সিংহদেও ও বিশ্বরূপ সিংহ মদক বলেন, এই উদ্যোগ খুবই ভাল একটি উদ্যোগ। পাখিদের কথা চিন্তা করে তারাপদ বাবু যে কাজ করছেন তা প্রশংসনীয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আগামী দিনে তাকে দেখে আরও অনেকে এগিয়ে আসবে। এই ছোট্ট প্রয়াসের মধ্যে পশুপাখির প্রতি তারাপদ বাবুর প্রেম ও বিশাল হৃদয়ের প্রমাণ মিলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্ব উষ্ণায়ন, সবমিলিয়ে বেশ কিছু প্রাণী প্রায় বিলুপ্ত হতে বসেছে। ইদানিং শহর এলাকায় আর আগের মত চড়ুই পাখি, পায়রা, এমনকি কাকও দেখা যায় না। তাই এই চেষ্টা যে পাখিদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে, এমনটাই বলছেন পরিবেশ প্রেমীরা।