Bhagavad Gita-র মতো আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক গ্রন্থকে সহজ-সরল ভাষায় অনুবাদ করা মোটেই সহজ কাজ নয়। কিন্তু সোমা চৌনী সেই কঠিন কাজটিকেই নিজের লক্ষ্য করে নিয়েছিলেন। তাঁর অনুবাদের বিশেষত্ব হল ভাষার সরলতা ও বোধগম্যতা। একটি ছোট শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণ মানুষ— সবাই যাতে গীতার মর্মার্থ বুঝতে পারেন, সেই ভাবনাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে। জটিল সংস্কৃত শ্লোকের ভাব তিনি এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন, যাতে পাঠকের মনে কোনও ভয় বা দ্বিধা না থাকে।
advertisement
সোমার জীবনের পথচলা সহজ ছিল না। ব্যক্তিগত জীবনে এক কঠিন ধাক্কার পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। সেই সময়েই ভগবত গীতা তাঁর জীবনের অবলম্বন হয়ে ওঠে। গীতার দর্শন, কর্মযোগ ও আত্মবিশ্বাসের বাণী তাঁকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি জুগিয়েছে। সেখান থেকেই জন্ম নেয় সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ভাষায় গীতা পৌঁছে দেওয়ার সংকল্প।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আজ সোমা চৌনী শুধু একজন অনুবাদক নন, তিনি অনেকের কাছে প্রেরণার নাম। বাঁকুড়ার এই মেয়ের উদ্যোগ প্রমাণ করে, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবও সম্ভব। তাঁর লক্ষ্য একটাই— ভগবত গীতার চিরন্তন বাণী যেন ঘরে ঘরে পৌঁছে যায়, জীবনের কঠিন সময়ে মানুষ খুঁজে পায় সাহস ও দিশা। তাঁর এই সাফল্য আগামী প্রজন্মকেও নতুন স্বপ্ন দেখাবে।





