শীতের সন্ধ্যা, মাথার ওপরে খোলা আকাশ আর চারপাশে শ্মশানের পরিবেশ। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি মোটেই সহজ ছিল না। কিন্তু সেই সব বাধাকে তুচ্ছ করে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা চোখে পড়ার মত ছিল। নাটক দেখতে শ্মশানে ভিড় জমালেন বহু মানুষ। কোনও আলো ঝলমলে মঞ্চ নয়, কোনও দামি সেট বা পর্দা নয়, তবুও অভিনয়ের টানেই দর্শকরা উপভোগ করলেন এক অন্যরকম থিয়েটার অভিজ্ঞতা।
advertisement
এই উদ্যোগের নেপথ্যে থাকা তরুণ-তরুণীরা জানালেন, বড় অডিটোরিয়াম ভাড়া করার মত আর্থিক সামর্থ্য তাঁদের নেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাঁদের স্বপ্ন বা প্রতিভার অভাব রয়েছে। গল্প বলার ক্ষমতা, অভিনয়ের শক্তি আর সাহসিকতাকে সম্বল করেই তাঁরা শ্মশানের বুকে মঞ্চ তৈরি করেছেন। সীমাবদ্ধতাকেই শক্তিতে পরিণত করে তাঁরা প্রমাণ করলেন, সংস্কৃতির জন্য বিলাসিতা নয়, দরকার কেবল উৎসাহ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সংস্কৃতিপ্রেমীদের মতে, এই জঙ্গল থিয়েটার শুধু নাটক নয়, এটি এক প্রতিবাদ। বাণিজ্যিকতার বিরুদ্ধে, সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে। পলাশতলা মহা শ্মশানে এই অভিনয় যেন মৃত্যুর মাঝেই জীবনের বার্তা দিল। শুশুনিয়ার এই তরুণদের সাহসী উদ্যোগ দেখিয়ে দিল, সত্যিকারের শিল্পের জন্য কোনও নির্দিষ্ট মঞ্চ লাগে না, শুধু লাগে সাহস, ভাবনা আর মানুষের কাছে পৌঁছনোর ইচ্ছা।





