বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সন্ধ্যাকালীন পর্বে আয়োজিত হয় ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচের বিশেষ আসর। এই ব্যতিক্রমী আয়োজন ঘিরে বিদ্যালয় চত্বরে দর্শকদের ভিড় উপচে পড়ে। ছোট থেকে বড়, সব বয়সের মানুষই উপভোগ করেন এই পরিবেশনা। বয়স্ক ব্যক্তিদের ভিড় বেশি দেখা যায়। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল দেশাত্মবোধক ভাবনায় নির্মিত পুতুল নাচ ‘ক্ষুদিরামের দেশ’।
advertisement
আরও পড়ুন: গাছতলায় বিশ্রাম নিতে যাওয়া কাল হল, চোখ খোলার আগে পিষে দিল হাতি! আতঙ্কে থরথর করে কাঁপছে কুমারগ্রাম
স্বাধীনতা সংগ্রামী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম ও সাহসিকতার কাহিনি পুতুলের নিখুঁত নড়াচড়া ও আবেগঘন উপস্থাপনার মাধ্যমে মঞ্চে জীবন্ত হয়ে ওঠে। শিল্পীদের দক্ষতা, কণ্ঠস্বরের ব্যবহার ও সংগীতের সঙ্গে পুতুলের তালমিল দর্শকদের মুগ্ধ করে। পুতুল নাচের প্রতিটি দৃশ্যে ফুটে ওঠে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের আবহ এবং ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদানের ইতিহাস।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই পরিবেশনার মাধ্যমে শুধু বিনোদনই নয়, দর্শকদের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হয়। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেশপ্রেম, ইতিহাস সচেতনতা এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিত কুমার দত্ত জানান, ” বর্তমান প্রজন্ম যেখানে মোবাইল ও ডিজিটাল বিনোদনে অভ্যস্ত, সেখানে পুতুল নাচের মত লোকশিল্প তুলে ধরা হয়েছে। সংস্কৃতিবোধ মজবুত করা আমাদের লক্ষ্য ছিল। যা একটু হলেও আমরা পেরেছি। “





