রেল ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত কমাতে ট্রেনের সামনে অত্যাধুনিক লাইভ ডিটেক্ট ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রেনের সামনে প্রায় ৫০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে কোনও বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে লোকো পাইলটের কাছে দৃশ্যমান হবে। এর ফলে আগাম সতর্কতা পেয়ে লোকো পাইলট ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
advertisement
যার ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে এই প্রযুক্তি পরীক্ষামূলক বা ট্রায়াল পর্যায়ে রয়েছে। সফল হলে বনাঞ্চল সংলগ্ন রেলপথে স্থায়ীভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। ডিআরএম দেবেন্দ্র সিং জানান, “বিকশিত ভারতের লক্ষ্যকে সামনে রেখে রেল একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে কাজ করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে কাজ চলছে অনেক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে লাইভ ডিটেক্ট ক্যামেরা ট্রেনে বসে গেলে এক ইতিহাস সৃষ্টি হবে।” ডুয়ার্স রুটের রেলপথে এই ডিভাইস সবচেয়ে বেশি কার্যকরী থাকবে বলে জানা গিয়েছে। হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী মৃত্যু রোখা যাবে। এছাড়াও অসমের কোকড়াঝাড় থেকে ভুটান সীমান্ত পর্যন্ত নতুন রেলপথ প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে।





