একাধিক চা বাগান কর্তৃপক্ষের কথায়, সাধারণত বছরের শুরুর এই মাসগুলিতে কম পরিমাণে হলেও বৃষ্টির দেখা মেলে। ফলে একদিকে যেমন চা গাছে নতুন পাতা জন্ম নেয়, তেমনই বৃষ্টির কারণে পোকামাকড়ের উপদ্রবও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস বৃষ্টি না হওয়ায় চা বাগানে পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। লুপার, রেড স্পাইডার সহ সাদা পোকার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।
advertisement
এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে চা গাছের স্বাস্থ্যে। হ্রাস পাচ্ছে চা পাতার গুণগত মান। খুব বেশি সময় ধরে এমন পরিস্থিতি চললে, তার সরাসরি প্রভাব চা উৎপাদনেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা জেলার একাধিক চা বাগান কর্তৃপক্ষের। জানা যায়, বর্তমানে বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের মাধ্যমে চা গাছে জল দেওয়া হচ্ছে। তবে বৃষ্টির ঘাটতি তাতে একদমই মিটবে না বলেও দাবি তাঁদের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অপরদিকে, এই সেচের মাধ্যমে জল দেওয়ায় চা বাগানগুলিতে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। চা গাছ বিশেষজ্ঞ এবং সুভাষিনী চা বাগানের ম্যানেজার শীর্ষেন্দু বিশ্বাস জানান, “ডুয়ার্স এলাকার চা শিল্প ক্ষতির সম্মুখীন। এটা ফার্স্ট ফ্ল্যাশের চা পাতা তোলার সময়। কিন্তু পোকার উপদ্রবে চা গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে। আমরা সেই কারণে সেচের পরিমাণ বাড়িয়েছি।তবে বৃষ্টির প্রয়োজন।”





