মেদিনীপুরের বিদ্যাসাগর হলে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৬৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। ছোট ছোট শিশু থেকে শুরু করে বড়রাও নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। আয়োজকদের মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামাঞ্চলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সামনে আনা এবং তাদের সঠিক মঞ্চ প্রদান করা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে রাজ্য ও আন্তর্জাতিক স্তরেও একাধিক ছেলেমেয়ে তাদের দক্ষতা তুলে ধরেছে।
advertisement
বর্তমানে অনেক প্রতিভা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সুযোগের অভাবে হারিয়ে যায়। সেই কারণেই জঙ্গলমহলকেন্দ্রিক এই উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেয়া দাস ইতিমধ্যেই জেলা, রাজ্য ও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জন করেছে। সম্প্রতি দু’বার খেলো ইন্ডিয়া যোগাসনা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সে দু’বারই পদক জয় করেছে। এই প্রতিযোগিতা শুধু প্রতিভা খোঁজার মঞ্চ নয়, বরং মোবাইল নির্ভর প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আয়োজকদের মতে, জঙ্গলমহলে প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার বহু প্রতিভাবান ছেলেমেয়ে আজ বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের নাম উজ্জ্বল করেছে। পিংলা থেকে জিমন্যাস্টিকে অলিম্পিকে অংশ নিয়েছে প্রনতির মতো প্রতিভাবান মেয়ে। তাই গ্রামীণ প্রতিভা খুঁজে বের করতে এই অভিনব উদ্যোগ।
আরও পড়ুন- Vaibhav Suryavanshi Board Exam: বৈভব সূর্যবংশী বোর্ডের পরীক্ষা দেবেন কি! টানটান নাটক চরমে
জঙ্গলমহলের জেলাগুলিকে নিয়ে আয়োজন করা হল যোগা প্রতিযোগিতা। স্থানীয় মানুষদের মতে, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের পথ খুলে দেবে এবং জঙ্গলমহলের কৃতিদের সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ জোগাবে।





