মাঠের কোলাহলের বাইরে অনেক সমর্থকই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কৌতূহলী। বিশেষ করে সঞ্জু স্যামসন ও তাঁর স্ত্রী চারুলতা রমেশ-এর বিয়ের গল্প অনেকের আগ্রহের বিষয়।
তাঁদের বিয়ে খুবই সাদামাটা ও ব্যক্তিগতভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ব্যস্ত ক্রিকেট কেরিয়ারের মাঝেও তাঁরা ব্যক্তিগত জীবনকে বেশ শান্ত ও প্রচারের বাইরে রেখেছেন, তাই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ আজও অনেক। সঞ্জু স্যামসন-এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস-এর হয়ে ধারাবাহিক ভাল পারফরম্যান্স করার পর। এই পারফরম্যান্সই তাঁকে দলে স্থায়ী জায়গা করে দেয় এবং পরে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পান তিনি।
advertisement
মাঠে যখন সঞ্জু স্যামসন চাপের ম্যাচ সামলান, তখন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও ভক্তদের আগ্রহের বিষয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সঞ্জু স্যামসন ও তাঁর স্ত্রী চারুলতা রমেশ-এর বিয়ে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। চারুলতা সব সময়ই ব্যক্তিগত জীবনকে প্রচারের বাইরে রাখতে পছন্দ করেছেন। জনপ্রিয় ভারতীয় ক্রিকেটারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তিনি সবসময়ই শান্ত ও ব্যক্তিগত জীবন বজায় রেখেছেন।
আরও পড়ুন- তিন দশকরও বেশি সময় পর হাওড়ার মাঠে ফিরল পুরনো এক জনপ্রিয় খেলা
সঞ্জু স্যামসন এবং চারুলতা রমেশ-এর বিয়ে হয় ২২ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে কোভালাম-এ। অনুষ্ঠান ছিল খুবই ঘনিষ্ঠ ও ব্যক্তিগত, শুধু পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের আগে বহু বছর ধরে তাঁরা সম্পর্কে ছিলেন। তাই তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠানও ছিল শান্ত ও প্রচারবিমুখ। কারণ তাঁরা ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত আলোচনার বাইরে রাখতে পছন্দ করেন।
চারুলতা রমেশ স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন তিরুবনন্তপুরমে। পরে Mar Ivanios College থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এর পর মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পেশাগতভাবে চারুলতা একজন উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত। তবে জনপ্রিয় ক্রিকেটারের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তিনি এখনও শান্ত ও ব্যক্তিগত জীবনধারা বজায় রাখতে পছন্দ করেন। সঞ্জু স্যামসন এবং চারুলতা রমেশ-এর বিয়ের অনেক আগে থেকেই তাদের পরিচয় ছিল। জানা যায়, দুজনের প্রথম দেখা হয় Mar Ivanios College-এ।
সেই সময় সঞ্জু স্যামসন নিজের ঘরোয়া ক্রিকেট কেরিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন। আর চারুলতা পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন। তাঁদের গল্পের শুরু হয় সঞ্জু স্যামসন চারুলতাকে Facebook-এ বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠানোর পর। এর পর নিয়মিত অনলাইন কথোপকথনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাঁদের সম্পর্ক গভীর হয়। তবে দীর্ঘ সময় তাঁরা এই সম্পর্ককে খুবই ব্যক্তিগতভাবে রেখেছিলেন।
