আইসিসি পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের জয়ী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পর নিজের শহরে ফিরতেই তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে ভিড় জমায় অসংখ্য সমর্থক। নিজেদের প্রিয় তারকার এক ঝলক দেখার জন্য বিমানবন্দরের চারপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন সমর্থকেরা। ভারতের শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখায় সঞ্জুকে ঘিরে ছিল প্রবল উচ্ছ্বাস ও আনন্দ।
এই হৃদয়স্পর্শী সংবর্ধনা পেয়ে সঞ্জু স্যামসন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। আমি এই স্বপ্ন দেখার সাহস করেছিলাম। আমি আমার দেশের জন্য বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। এমনভাবে অবদান রাখতে চেয়েছিলাম যাতে আজকের এই সাফল্য সম্ভব হয়। আমি খুব খুশি এবং নিজেকে সত্যিই ধন্য মনে করছি।”
ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী মহাতারকা আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমি পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে দেখতে শিখেছি। আমার মনে হয় জীবনের সব কষ্ট, ব্যর্থতা এবং ধাক্কাই আমাকে আরও শক্তিশালী করেছে। সেই কারণেই আজ আমি যা করতে পেরেছি, তা সম্ভব হয়েছে। জীবনের কষ্ট, হতাশা বা ব্যর্থতাকে যদি ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে সেগুলোই আপনার বড় শক্তিতে পরিণত হতে পারে। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই হয়েছে, আর এজন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ।”
আরও পড়ুনঃ কোচ হয়ে ভারতকে জিতিয়েছেন বিশ্বকাপ, এবার ‘তিনিই’ দায়িত্ব নিলেন অন্য দেশের , টার্গেট ২০২৭
প্রসঙ্গত, একটা সময় প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার অসুস্থতা ও দলে বাঁ-হাতি ব্যাটারের আধিক্য তাঁকে ফের সুযোগ দেয়। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সঞ্জুকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঝোড়ো ৯৭ ও ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ উইনিং ৮৯ রান করে ইনিংস খেলেন। সিরিজ সেরাও নির্বাচিত হন সঞ্জু স্যামসন।
