বর্ষার সাফল্যে দারুন ভাবে আনন্দিত উদয়নারায়ণপুর কুরঢচী গ্রামের মানুষ। বর্ষার ঝুলিতে রয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের একাধিক সাফল্য। গত প্রায় এক মাস আগে কাশ্মীরে একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সিলেকশন পায় আবারও আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের। এবার আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে থাইল্যান্ডে পাড়ি দিতে চলেছে বর্ষা।
মাত্র তিন বছর বয়স থেকে যোগা প্রশিক্ষণ শুরু করে সে। প্রথম দিকে ট্রেডিশনাল যোগা প্রশিক্ষণ এবং তার কয়েক বছর পর আটিস্টিক যোগা প্রশিক্ষণ নেয়। নিতাই বেরা বর্ষার বাবা একজন স্বর্ণ কারিগর। নানা প্রতিবন্ধকতার বেড়াজোল ঠেলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের সাফল্য। এই পথ মোটেও সহজ নয়। সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে একের পর এক পদক জয় করে সে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ Lifestyle: মদ্যপানের পর কোন কোন খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক? জেনে নিন বিস্তারিত
জীবনের প্রথম বড় পদক জয় আসামের করিমগঞ্জে। এরপর প্রথম আন্তর্জাতিক স্তরে নেপালে তিনটি স্বর্ণপদক জয়। এ প্রসঙ্গে বর্ষা বেরা জানান, শৈশব থেকেই জোগাড় প্রতি আলাদা ভাল লাগা ছিল। তবে এই সাফল্যের পেছনে প্রশিক্ষক এবং বাবা-মায়ের অবদান রয়েছে প্রচুর। প্রশিক্ষক সুবল দেঁড়ে জানান, বর্ষার মধ্যে রয়েছে জেদ। যার কারণেই ও আরো সাফল্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।
রাকেশ মাইতি





