স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে স্কুলের পথচলা শুরু হলেও পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এতদিন অন্যের জমি হয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে হত। তবে বর্তমান জমির মালিক সেই জায়গা ঘিরে ফেলায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। আকাশ সাহা নামে এক স্কুল পড়ুয়া বলেন, “নিয়মিত স্কুল যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হই। তবে স্কুলের কাছে এসে ফিরে যাচ্ছি। কারণ স্কুলে ঢোকার পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা রয়েছে।”
advertisement
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা স্মিতা দত্ত জানান, “এতদিন স্কুলে বিদ্যুৎ-এর সমস্যা ছিলই। এখন প্রবেশপথে অন্যের জমি থাকায় ঘিরে দেওয়া হয়েছে। হাজিরা দিতে নিয়মিত আসতে হচ্ছে। স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিজস্ব রাস্তা না থাকায় বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে।” স্থানীয় মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিংকি মণ্ডল জানান, “সমস্যাটি প্রশাসনিক স্তরে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত যাতায়াত ব্যবস্থা চালু হবে এবং পড়াশোনা সচল হবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দোতলা ভবন বিশিষ্ট এই স্কুলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। অফিস ও ক্লাসরুম নিয়ে রয়েছে মোট ছয়টি ঘর। এতদিন স্কুলে এসে নিয়মিত পড়াশোনা ও খেলাধূলা করতেন পড়ুয়ারা। তবে বর্তমানে দীর্ঘ প্রায় ২৬ দিন ধরে পড়ুয়ারা ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা নির্ধারিত সময়ে স্কুলের সামনে এসে হাজির হলেও ভিতরে প্রবেশ করতে পারছেন না। দোতলা ভবনের দিকে দূর থেকেই তাকিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে। প্রশাসনিক আশ্বাসের পর কবে স্কুলের প্রবেশপথের সুরাহা হয় সেটাই এখন দেখার।





