বছরের প্রথম দিনেই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা বর্ধমানে। মৃত্যু হল বাবা, মা, ছেলের। ১৯ নং জাতীয় সড়কের জোতরাম এলাকায় একটি গ্যাসের ট্যাঙ্কারের পিছনে চারচাকা গাড়ির ধাক্কা। মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত ৩, আহত ১। ঘটনাস্থলে শক্তিগড় থানার পুলিশ।মৃতরা হলেন রেজিনা খাতুন, শেখ মহম্মদ মুরশেদ, শেখ শানোয়াজ। মৃতরা সকলে একই পরিবারের সদস্য এবং দুর্গাপুরের সিটিসেন্টার এলাকার বাসিন্দা। আহত চালক সাহেব মুন্সী।
advertisement
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা অভিমুখী গ্যাস ট্যাঙ্কারটির পিছনে দুর্গাপুর থেকে কলকাতাগামী চারচাকা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে এবং ট্যাঙ্কারের পিছনে আটকে যায় গাড়িটি। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর স্থানীয়রা দাঁড় করায় ট্যাঙ্কারটিকে। ঘটনায় চারচাকা গাড়িতে থাকা চালক-সহ ৪ জন গুরুতরভাবে জখম হন। তড়িঘড়ি তাদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক ৩ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গাড়ির চালক চিকিৎসাধীন। ছেলে শেখ শানোয়াজ মুম্বইয়ে কর্মরত। সম্ভবত ছেলেকে কলকাতা বিমানবন্দরে গাড়ি করে ছাড়তে যাচ্ছিলেন মা-বাবা। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় মা-বাবার ছেলে তিনজনেরই।
আরও পড়ুনঃ বিছানায় বসে সুখটান! বিড়ির আগুনে জ্বলে উঠল কম্বল, বছর শেষের রাতে পুড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ের
কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শী শেখ সবর আলী বলেন, ‘হঠাৎই একটি শব্দ শুনতে পেয়ে দেখি একটি ট্যাঙ্কারের পিছনে চারচাকা গাড়িতে ধাক্কা মেরে আটকে গিয়েছে। ট্যাঙ্কারটির চালক সম্ভবত বুঝতে পারেননি। আমরা হাত দেখিয়ে ট্যাঙ্কারটিকে দাঁড় করাই এবং পুলিশকে খবর দি। দরজা ভেঙে উদ্ধার করা হয় আহতদের।’
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এডিশনাল ট্রাফিক সুরজিৎ কুমার দে বলেন, যতটা জানা গিয়েছে, গাড়িটি দুর্গাপুরে বেনাচিতি দিক থেকে কলকাতায় যাচ্ছিল। ট্যাঙ্কারটি যাচ্ছিল তার পিছনে গিয়ে চার চাকা গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুজন পুরুষ এবং একজন মহিলা মারা গিয়েছে। চালক চিকিৎসাধীন।






