এদিনের অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের ১৮ টি জেলা থেকে এবং ভারতবর্ষের ১২ টি রাজ্য থেকে চাষিরা এসেছেন এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সুন্দরবনের চাষিরা মূলত এক ফসলি জমি চাষ করেন। তাঁদের জমিকে কীভাবে বহু ফসলি জমিতে রূপান্তরিত করা যায়, কীভাবে ধান ছাড়াও অন্য অর্থকরী ফসল চাষ করা যায় সে বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়। কৃষকদের সমস্ত রকম প্রযুক্তি ও পরিকাঠামো উন্নয়নে যাবতীয় সাহায্যের জন্য স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাও উপস্থিত ছিল এই কর্মসূচিতে।
advertisement
আরও পড়ুন: ১-২ মাস নয়, সারা বছর খেতে পারবেন মটরশুটি! ফ্রিজে রাখলেই হবে না, তার আগে আছে ছোট্ট ‘প্রোসেস’
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এদিনের অনুষ্ঠানে কাশ্মীর, দার্জিলিং, বিহার এমনকি পাঞ্জাব থেকেও চাষিরা এসেছিলেন তাঁদের উৎপাদিত ফসল সংক্রান্ত বিষয়ে সুন্দরবনের চাষিদের নতুন নতুন চাষে উৎসাহিত করতে। সুন্দরবনের চাষিরাও যাতে নানা ধরনের নতুন নতুন অর্থকরী ফসল চাষ করতে পারে তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
সুমন সাহা





