আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে পাক ক্রিকেট খেলা হোক বলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী, তাতেই গর্জে উঠেছে ঝালদাবাসী!
এই কর্মশালার বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন প্রখ্যাত চালচিত্র শিল্পী রেবা পাল। তিনি নিজে দীর্ঘদিন ধরে নদিয়ার চালচিত্র রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এদিনের এই কর্মশালায় উপস্থিত থেকে তিনি অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, “এই লুপ্তপ্রায় শিল্পকে জনসম্মুখে তুলে ধরতেই হবে। এটা আমাদের দায়িত্ব।” তিনি হাতে-কলমে দেখান কীভাবে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে রং তৈরি হয় এবং তা ব্যবহারের পদ্ধতি। সহরাই ও চালচিত্র শিল্পের মধ্যকার সাদৃশ্য ও পার্থক্যও তিনি অত্যন্ত সহজভাবে তুলে ধরেন।
advertisement
রেবা পাল জানান, সহরাই চিত্রে তার দারুণ আগ্রহ জন্মেছে কারণ এটি একই সঙ্গে দেওয়ালচিত্র, আধ্যাত্মিকতা ও সামাজিক উৎসবের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। দিশারীর এই উদ্যোগকে তিনি আন্তরিকভাবে সমর্থন জানান এবং ভবিষ্যতে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
দিশারীর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, আমাদের লক্ষ্য একদিন নদিয়ার আদিবাসী গ্রামের প্রতিটি দেওয়ালে সহরাই চিত্রের ছোঁয়া এনে দেওয়া—যেমনটা আমরা বাংলার অন্যান্য প্রান্তে দেখি। এই শিল্পরূপ শুধু আঁকার বিষয় নয়, এটি এক সাংস্কৃতিক পরিচয়, যা আমাদের অতীতের সঙ্গে ভবিষ্যতের সেতুবন্ধন গড়ে তোলে।





