স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়াশকোলের পদ্মাবতীর মন্দিরের পাশ দিয়ে বহুলা হয়ে কাজোড়া যাওয়ার প্রধান রাস্তাটি সংযোগ হয়েছে। এই রাস্তার ওপর দিয়ে প্রতিনিয়ত ইসিএলের বালি বোঝায় লরি যাতায়াত করে> এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইসিএলের ওই বালির গাড়িগুলিতে না আছে ফিটনেস, না আছে ইন্সুরেন্স, তবুও কিভাবে ইসিএলএর মত এত বড় একটা সংস্থায় এই গাড়িগুলি চলে! প্রশ্ন উঠছে।
advertisement
আরও পড়ুন : বন্ধুদের সঙ্গে তীর্থযাত্রা, কেদারনাথ হয়ে অযোধ্যা! সবাই বাড়ি ফিরলেও, খোঁজ নেই রাজার
গাড়িগুলি নিয়মিত সার্ভিসিংও হয়না, এমনও অভিযোগ উঠছে। আর সে কারণেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এদিন ঘাতক লড়িটির ব্রেক ফেল হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি গবাদি পশুকে ধাক্কা মারলে, ঘটনাস্থলেই দুটি গবাদি পশুর মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর দাবি, এই ধরনের গাড়ি রাস্তায় যাতায়াত করলে যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ গবাদি পশুর মৃত্যু হল, যে কোনদিন মানুষও মারা যেতে পারে এই রাস্তায়।
আরও পড়ুন : বাজারে আগুন দাম, অথচ কৃষকদের হাত খালি! পূর্বস্থলীর পটল চাষে বিপর্যয়
স্থানীয় বাসিন্দা রাজনাথ আহির জানান, গাড়িগুলি সঠিক সময়ে মেরামত হয় না, বা গাড়ির ইন্সুরেন্স ফিটনেস কিছুই নেই। এই ব্যাপারটার জন্য সম্পূর্ণভাবে গাড়ির মালিক দায়ী। পাশাপাশি ইসিএল কর্তৃপক্ষ কিভাবে এই গাড়িগুলিকে চলার অনুমতি দেয়, সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এলাকাবাসী। ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ ওই রাস্তার উপর স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘাতক গাড়ির মালিক মনোজ আগারওয়ালকে তার গাড়ির ফিটনেস ও ইন্সুরেন্স নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি মুখ খোলেননি। গাড়ির মালিক ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। আসানসোল – দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি (অণ্ডাল) পিন্টু সাহা বলেন, কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে যাঁরা গবাদিপশু রাস্তাঘাটে ছাড়েন, তাঁদের সচেতন করা হয়। পথ দুর্ঘটনা রুখতে আমরা নিয়মিত সচেতন করি। পশু প্রতিপালকদের উদাসীনতার কারণেই শিল্পাঞ্চলে প্রায়শই ঘটছে এমন দুর্ঘটনা।





