আহত ওই এএসআইকে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন চিকিৎসকরা। অবশ্য এ বিষয়ে কোনও কথা বলতে চাননি অভিযুক্ত ওই পুলিশ অফিসার। ইতিমধ্যেই ঘটনায় অভিযুক্ত দ্বিতীয় স্ত্রী, তাঁর মা এবং ভাইকে গ্রেফতার করেছে তপন থানার পুলিশ।
advertisement
আহত ওই এএসআই ইটাহারের বাসিন্দা। তিনি গত আড়াই বছর ধরে তপন থানায় কর্মরত। সেখানে থাকাকালীন দ্বীপখন্ডা গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁকে বিয়েও করেন ওই পুলিশকর্মী। যদিও ইটাহারে তাঁর প্রথম স্ত্রী রয়েছেন৷
গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই এই গ্রামের এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল পুলিশ অফিসার গুলাম মর্তুজার। তিনি মাঝেমধ্যে গ্রামে আসতেন বলে জানা গিয়েছে। এই নিয়ে গ্রামে আগেও একাধিকবার সমস্যা হয়েছে, তাঁকে সতর্ক করা হয়েছিল কিন্তু সেই কথায় তিনি আমল দেননি। তাই এদিন গ্রামবাসীরা ওই পুলিশ অফিসারের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
—- সুস্মিতা গোস্বামী






