ছোট বাচ্চা থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এখানে এই তিনটি বিষয় পড়ান হয়ে থাকে এবং সেই সংক্রান্ত বইও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেন রমেশ বিশ্বাস। সর্বপ্রথম দুজন ছাত্রছাত্রী নিয়ে শুরু করেন তার এই পাঠশালা। ধীরে ধীরে ক্রমশই এই গ্রামের এবং পাশের গ্রাম মুন্ডারী পাড়ার একাধিক ছাত্র-ছাত্রী আসতে শুরু করেন তার কাছে। বর্তমানে তার বিদ্যার্থীদের সংখ্যা ৩০ এর কাছাকাছি। তিনি ছাড়াও আরও দুজন বিনামূল্যে তার সঙ্গে এই কাজে অংশগ্রহণ করেন। এই সন্ধ্যার পাঠশালা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছাত্রছাত্রীদেরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করে চলেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ, এবার পুলিশ পৌঁছে যাবে সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে
তিনি আরও জানান, “শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর শিক্ষার যে পথ দেখিয়ে গেছেন এই পথই আমাদের মত অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সুতরাং সকলের আশীর্বাদ ও ভালবাসা থাকলে আমি আমার এই প্রচেষ্টাকে ধীরে ধীরে আরও অন্যান্য গ্রামে ও অন্যান্য স্থানে এর ব্যাপ্তি ঘটাতে পারব।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রমেশ বিশ্বাসের এমন মহৎ কাজ দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগণ আবেগ আপ্লুত এবং প্রচন্ড খুশী। তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ ধরনের কাজকে উৎসাহ যোগাচ্ছেন।
Mainak Debnath





