North 24 Parganas News: দুর্ঘটনায় পা হারিয়েও যোগসনে সাফল্যের শিখরে! চিনে নিন জেলার এই মেয়েকে

Last Updated:
দুর্ঘটনায় পা হারিয়েও যোগশিক্ষায় সাফল্যের শিখরে জেলার এই বঙ্গ তনয়া।
1/6
উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ণ রায়: দুর্ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা, পা হারিয়েও যোগশিক্ষায় সাফল্যের শিখরে জেলার এই বঙ্গ তনয়া অর্পিতা রায়। ২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল জীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল ব্যারাকপুরের এই তরুণীর
উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ণ রায়: দুর্ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা, পা হারিয়েও যোগশিক্ষায় সাফল্যের শিখরে জেলার এই বঙ্গ তনয়া অর্পিতা রায়। ২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল জীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল ব্যারাকপুরের এই তরুণীর
advertisement
2/6
বন্ধুর বাইকের পিছনে বসে ব্যারাকপুর থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। একটি লরি এসে সজোরে ধাক্কা মারলে গুরুতর আহত হন অর্পিতা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, জটিল সার্জারি ছাড়া কোনও উপায় নেই। কিন্তু সময়মতো বিপুল অঙ্কের অর্থ জোগাড় করা সম্ভব না হওয়ায় অস্ত্রোপচারে দেরি হয় প্রায় ১২ দিন। ততদিনে সংক্রমণ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে বাধ্য হয়েই কেটে ফেলতে হয় তাঁর দুটি পা। চার মাস হাসপাতালের শয্যায় কাটানোর পর বাড়ি ফিরলেও লড়াই তখনও শেষ হয়নি
বন্ধুর বাইকের পিছনে বসে ব্যারাকপুর থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। একটি লরি এসে সজোরে ধাক্কা মারলে গুরুতর আহত হন অর্পিতা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, জটিল সার্জারি ছাড়া কোনও উপায় নেই। কিন্তু সময়মতো বিপুল অঙ্কের অর্থ জোগাড় করা সম্ভব না হওয়ায় অস্ত্রোপচারে দেরি হয় প্রায় ১২ দিন। ততদিনে সংক্রমণ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে বাধ্য হয়েই কেটে ফেলতে হয় তাঁর দুটি পা।চার মাস হাসপাতালের শয্যায় কাটানোর পর বাড়ি ফিরলেও লড়াই তখনও শেষ হয়নি
advertisement
3/6
কৃত্রিম পা সংযুক্ত করার পর দাঁড়ালেই শরীর জুড়ে বইত অসহ্য যন্ত্রণা। তবু হাল ছাড়েননি অর্পিতা। কষ্ট সহ্য করেই বাড়িতে হাঁটাচলার অনুশীলন শুরু করেন। একই সঙ্গে চলতে থাকে পড়াশোনা। স্নাতক ডিগ্রি সম্পূর্ণ করার পর চিকিৎসার জন্য নেওয়া ঋণের বোঝা শোধ করতে বাড়ি থেকেই কল সেন্টারের কাজ শুরু করেন তিনি। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী আরও ভালো কাজ পেতে গেলে শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি- তা উপলব্ধি করেছিলেন অর্পিতা
কৃত্রিম পা সংযুক্ত করার পর দাঁড়ালেই শরীর জুড়ে বইত অসহ্য যন্ত্রণা। তবু হাল ছাড়েননি অর্পিতা। কষ্ট সহ্য করেই বাড়িতে হাঁটাচলার অনুশীলন শুরু করেন। একই সঙ্গে চলতে থাকে পড়াশোনা। স্নাতক ডিগ্রি সম্পূর্ণ করার পর চিকিৎসার জন্য নেওয়া ঋণের বোঝা শোধ করতে বাড়ি থেকেই কল সেন্টারের কাজ শুরু করেন তিনি। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী আরও ভালো কাজ পেতে গেলে শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি- তা উপলব্ধি করেছিলেন অর্পিতা
advertisement
4/6
সেই লক্ষ্যেই ২০১৫ সালে যোগাসনের প্রশিক্ষণ শুরু করেন। প্রথমে শুধুই শরীরচর্চার উদ্দেশ্যে শুরু হলেও, ধীরে ধীরে যোগচর্চাই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের মূল অবলম্বন। দীর্ঘ পাঁচ বছরের কঠোর অনুশীলনে কৃত্রিম পায়ে ভর করেই প্রায় সব ধরনের যোগাসনে দক্ষতা অর্জন করেন তিনি। পরে ইনস্ট্রাকটারের ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৯ সাল থেকে পেশাগত ভাবে যোগ প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন অর্পিতা রায়
সেই লক্ষ্যেই ২০১৫ সালে যোগাসনের প্রশিক্ষণ শুরু করেন। প্রথমে শুধুই শরীরচর্চার উদ্দেশ্যে শুরু হলেও, ধীরে ধীরে যোগচর্চাই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের মূল অবলম্বন। দীর্ঘ পাঁচ বছরের কঠোর অনুশীলনে কৃত্রিম পায়ে ভর করেই প্রায় সব ধরনের যোগাসনে দক্ষতা অর্জন করেন তিনি। পরে ইনস্ট্রাকটারের ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৯ সাল থেকে পেশাগত ভাবে যোগ প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন অর্পিতা রায়
advertisement
5/6
কোভিড অতিমারির সময় অনলাইন ও অফলাইন মাধ্যমে বহু মানুষকে যোগচর্চার মাধ্যমে সুস্থ থাকার পথ দেখিয়েছেন তিনি। বর্তমানে নানা বয়সের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত যুগ প্রশিক্ষণ দিয়ে তিনি আজ সফল যোগা প্রশিক্ষক। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনুশীলনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই বঙ্গতনয়া
কোভিড অতিমারির সময় অনলাইন ও অফলাইন মাধ্যমে বহু মানুষকে যোগচর্চার মাধ্যমে সুস্থ থাকার পথ দেখিয়েছেন তিনি। বর্তমানে নানা বয়সের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত যুগ প্রশিক্ষণ দিয়ে তিনি আজ সফল যোগা প্রশিক্ষক। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনুশীলনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই বঙ্গতনয়া
advertisement
6/6
পা না থাকার কোনও আক্ষেপ আজ আর নেই অর্পিতার গলায়। বরং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, হাম কিসিসে কম নেহি। এক সময়ের দুর্ঘটনাগ্রস্ত তরুণী আজ কলকাতা ও শহরতলির পরিচিত যোগ শিক্ষিকা। হাজার হাজার প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীর কাছে তিনি যেন অনুপ্রেরণা। ইচ্ছেশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের জোরে যে যেকোনও প্রতিকূলতাকে জয় করা সম্ভব- অর্পিতা রায়ের জীবনকাহিনি যেন এই বার্তাই দেয়
পা না থাকার কোনও আক্ষেপ আজ আর নেই অর্পিতার গলায়। বরং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, হাম কিসিসে কম নেহি। এক সময়ের দুর্ঘটনাগ্রস্ত তরুণী আজ কলকাতা ও শহরতলির পরিচিত যোগ শিক্ষিকা। হাজার হাজার প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীর কাছে তিনি যেন অনুপ্রেরণা। ইচ্ছেশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের জোরে যে যেকোনও প্রতিকূলতাকে জয় করা সম্ভব- অর্পিতা রায়ের জীবনকাহিনি যেন এই বার্তাই দেয়
advertisement
advertisement
advertisement