মুখ্যমন্ত্রী তার দলীয় নথি/ডেটা চুরির অভিযোগ এনেছেন। সেই অভিযোগ জমা পড়েছে থানায়। তার ভিত্তিতে আইটি অ্যাক্ট-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তার তদন্তের দায়িত্বে থানার অতিরিক্ত ওসি। কলকাতা পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে একটি মামলা করা হয়েছে। গতকাল প্রতীক জৈনের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ গেলে তাদের সাথে বচসা বাধে ইডি অফিসার ও সিআরপিএফের। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ পুলিশের। তাই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। দুটো এফআইআর আননোন ইডি অফিসিয়াল ও সিআরপিএফের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি ইডিকে জরুরী মামলার অনুমতি দিয়েছে। দুপুর আড়াইটেয় একসঙ্গে দুটি মামলার শুনানি হবে, জানালেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।
আইপ্যাক প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “ওরা (আইপ্যক) নরেন্দ্র মোদী এর হয়ে কাজ করেছিল, চন্দ্র বাবু নাইডু, নীতিশ কুমারের হয়ে কাজ করেছে। ওদের আমরা দ্বায়িত্ব দিয়েছি আইটি সেল দেখার”।
বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি। কেন নিজেরা পদত্যাগ করবেন না। রোহিঙ্গা একটাও বাংলায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা আসবে কোথা থেকে? বাংলার ওপর হামলা একটাই কারণে। কারণ ওরা জোর করে দখল করতে চায় মহারাষ্ট্র মতো।
এসআইআর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “SIR সেন্টারে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। নথি নিচ্ছে কিন্তু পাল্টা নথি দিচ্ছে না। অন্ত:সত্ত্বা মা কে ডেকে পাঠাচ্ছে। নাকে নল লাগানো অবস্থায় ডেকে পাঠিয়ে অত্যাচার করছে”।
সাড়ে ১০ কিমি মিছিল করেছি। কেউ ক্লান্ত হয়ে যায়নি। গোটা রাস্তায় লড়াইয়ের হিল্লোল হয়েছে। মানুষের অভিবাদন, শুভেচ্ছা পেয়ে বুঝতে পারলাম না কখন সাড়ে ১০ কিমি হয়ে গেল। আমার আজ প্রায় ২৩ হাজার স্টেপ হাঁটা হয়ে গেল।
এদিন প্রতিবাদ সভায় ভাষণে অতীতের আন্দোলনের স্মৃতিচারণায় মুখ্যমন্ত্রী।
আইপ্যাক কাণ্ডে যাদবপুর থেকে হাজরা পর্যন্ত মিছিল শেষ। বৃৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রতিবাদ সভায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাসবিহারী মোড়ে ঢুকছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিল। মিছিলে রয়েছেন বহু মানুষ।
ইডি অভিযানে পুলিশের অতিসক্রিয়তায় মামলা, আজই শুনানি করতে মরিয়া ইডি। সূত্রের খবর প্রধান বিচারপতি সচিবালয়ে জরুরী বেঞ্চ চেয়ে আবেদন জানিয়েছে ইডি। লিখিত ভাবে ইডি আবেদন করতে চলছে কিছুক্ষণের মধ্যেই।
ধর্মতলায় রাস্তা অবরোধ করল বিজেপি। মিছিলে রয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ, সৌমিত্র খাঁ।
আইপ্যাক কাণ্ডের প্রতিবাদে যাদবপুর থেকে হাজরা পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিলে হাঁটছেন দেব, সোহম-সহ বহু টলিউড তারকা।
আইপ্যাক কাণ্ডে ইডি এবং তৃণমূলের জোড়া মামলার শুনানি শুরু করা গেল না কলকাতা হাইকোর্টে৷ শেষ পর্যন্ত মামলার শুনানিই পিছিয়ে দিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ৷ আগামী ১৪ জানুয়ারি এই দুই মামলার শুনানি হবে৷
মামলায় মোট ১২ দফা আর্জি জানিয়েছে ইডি৷ প্রথমত বলা হয়েছে, ইডি অভিযানে রাজ্য পুলিশ, মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিতিতে তল্লাশিতে বাধা দেওয়া হয়েছে৷ গোটা ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷
সাংসদদের চ্যাংদোলা করে টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার কড়া নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গোটা বিষয়টাকে লজ্জাজনক, কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় – মুখ্যমন্ত্রী। সম্মানটা পারস্পরিক হওয়া উচিত। আমরা আমাদের অধিকারে নাগরিক, কারোর দয়ায় নয়। কোন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না গণতন্ত্রে তার সম্মান বজায় রাখা উচিত। বিজেপি নেতারা যখন প্রতিবাদ করে তারা আশা করে তাদের জন্য লাল কার্পেট পাতা থাকবে, বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। আর যখন বিরোধীরা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে টেনে- হিচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
লাউডেন স্ট্রিটের প্রতীক জৈনের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে কলকাতা পুলিশ। গতকাল ইডির ওই প্রেমিসেসে ঢোকার আগে থেকে রেড শেষ হওয়ার পর পর্যন্ত সমস্ত সিসিটিভি সংগ্রহ কলকাতা পুলিশের। শেক্সপিয়র সরণি থানায় জোড়া এইআইআর-এর ভিত্তিতে ফুটেজ সংগ্রহ পুলিশের।
কলকাতা পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে একটি মামলা করা হয়েছে। গতকাল প্রতীক জৈনের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ গেলে তাদের সাথে বচসা বাধে ইডি অফিসার ও সিআরপিএফের। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ পুলিশের, তাই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। আননোন ইডি অফিসিয়াল ও সিআরপিএফের বিরুদ্ধে দুটো এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।



