Acting Career: অভিনয় শেখার স্বপ্ন এবার গ্রামেই, মেদিনীপুরের এই কলেজে তিন বছরের থিয়েটার ডিগ্রি!
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Acting Career: উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় শুরু হয়। এই সময়েই ঠিক করতে হয় ভবিষ্যতের পথ। সঠিক কোর্স এবং সঠিক কলেজ নির্বাচনের ওপর অনেকটাই নির্ধারণ করে একজন শিক্ষার্থীর আগামী। গ্রামবাংলার বহু ছেলে-মেয়ের স্বপ্ন থাকে অভিনয় জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করার।
উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় শুরু হয়। এই সময়েই ঠিক করতে হয় ভবিষ্যতের পথ। সঠিক কোর্স এবং সঠিক কলেজ নির্বাচনের ওপর অনেকটাই নির্ধারণ করে একজন শিক্ষার্থীর আগামী। গ্রামবাংলার বহু ছেলে-মেয়ের স্বপ্ন থাকে অভিনয় জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করা সহজ নয়। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
অভিনয় শেখার জন্য বেশিরভাগ নাট্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠানই শহরকেন্দ্রিক। সেখানে পড়াশোনার খরচ অনেক বেশি। পাশাপাশি থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতের অতিরিক্ত ব্যয়ও থাকে। ফলে গ্রামের বহু ছাত্রছাত্রীর পক্ষে সেই সুযোগ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যার কথা ভেবেই বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত এগরা সারদা শশিভূষণ কলেজ শুরু করেছে তিন বছরের বি.ভোক ইন থিয়েটার স্টাডিস কোর্স। এই কোর্সের লক্ষ্য হল গ্রামবাংলার তরুণ-তরুণীদের অভিনয় জগতের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া।
advertisement
এই তিন বছরের ডিগ্রি কোর্সে পড়াশোনার পাশাপাশি শেখানো হয় থিয়েটারের নানা দিক। শিক্ষার্থীরা মঞ্চ পরিচালনা, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, আলোকসজ্জা, মেকআপ এবং কস্টিউম ডিজাইনের প্রশিক্ষণ পান। পাশাপাশি ক্যামেরার সামনে অভিনয় করার কৌশলও শেখানো হয়। শুধুমাত্র তাত্ত্বিক পড়াশোনা নয়, হাতে-কলমে কাজের সুযোগও থাকে। কলেজের নিজস্ব থিয়েটার প্রোডাকশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। এছাড়া রাজ্য স্তরের বিভিন্ন নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ পেয়ে থাকে।
advertisement
এই কোর্সে মোট আসন সংখ্যা ৬০টি। আবেদন করার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক পাস। কোর্সটি মোট ছয়টি সেমিস্টারে ভাগ করা হয়েছে। সরকারি কলেজ হওয়ায় কোর্স ফি তুলনামূলক অনেক কম। ফলে আর্থিক দিক থেকে অনেক শিক্ষার্থীর জন্য এটি সুবিধাজনক। দূরের ছাত্রছাত্রীদের জন্য কলেজে হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে হোস্টেলে থাকার জন্য আলাদা খরচ বহন করতে হবে শিক্ষার্থীদের।
advertisement
কলেজের অধ্যাপক ড. মলয় বারিক জানান, এই কোর্সের মূল উদ্দেশ্য শুধু পেশাদার অভিনেতা তৈরি করা নয়। গ্রামবাংলার দরিদ্র অথচ মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করাই লক্ষ্য। অনেকেরই কলকাতায় গিয়ে পড়াশোনা করার সামর্থ্য থাকে না। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই কলেজে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কম খরচে সরকারি কলেজে অভিনয় শেখার সুযোগ খুব বেশি নেই। তাই অভিনয়কে ভালোবাসা শিক্ষার্থীদের জন্য এই কোর্স নতুন পথ খুলে দিতে পারে।
advertisement
কোর্স শেষ করার পর শিক্ষার্থীদের সামনে বিভিন্ন কাজের সুযোগ তৈরি হয়। থিয়েটার জগতে অভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি টেলিভিশন, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং সিনেমা জগতেও কাজের সুযোগ মিলতে পারে। চাইলে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করা যেতে পাথে। এছাড়া নাট্যকার, সেট ডিজাইনার বা মঞ্চ পরিচালনার মত ক্ষেত্রেও ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। অভিনয়ের পাশাপাশি সৃজনশীল নানা কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।







