কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ অশোক কুমার দাস বলেন, “এই কর্মসূচিটি বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে অত্যন্ত প্রশংসার যোগ্য। তার জন্য এন.এস.এস টিমকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে এই পৃথিবীতে আমাদেরও যেমন বাঁচার অধিকার আছে ঠিক তেমনই অন্যান্য জীবকুলেরও বাঁচার অধিকার আছে। তাই আমাদের সাধ্য মত সকলের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং তাদের সাহায্য করতে হবে। এটি সেই ধরনেরই একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা”।
advertisement
আরও পড়ুন: অত্যাচার বাড়ছে নদীতে, জলঙ্গি বাঁচাতে এগিয়ে এলেন পরিবেশকর্মীরা
কলেজের অধ্যাপক ডঃ অনিরুদ্ধ সাহা জানান, “বিভিন্ন কলেজে যখন NAAC মূল্যায়ন হয় তখন কমিউনিটি আউটরিচ প্রোগ্রাম বলে একটি বিষয় থাকে। তাতে দেখা হয় যে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাকাডেমিক অ্যাক্টিভিটি ছাড়াও আরও কি করেছে যা পরোক্ষভাবে সমাজের কাজে লাগে। আমাদের এই কর্মসূচি তার মধ্যে পড়ে। এছাড়া শুধু মূল্যায়ন নয়, যখন আমরা দেখতে পাই যে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এসে আমাদের নিজের হাতে তৈরি করা বার্ড ফিডার থেকে জল পান করছে এবং খাদ্য খাচ্ছে তা দেখে আমাদের অত্যন্ত আনন্দ লাগে। এটি আমাদের কাছে একটি বড় প্রাপ্তি”।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আসাননগর কলেজটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মত। এই কলেজের চারিদিকে রয়েছে অসংখ্য গাছ এবং সেই গাছে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের বাস। এই কলেজের এই ধরনের পদক্ষেপে সমগ্র পক্ষীকুল যারা এই অঞ্চলে বাস করে, তারা সকলেই উপকৃত হবে বলে আশা করা যায়।
Mainak Debnath





