আরও পড়ুন: টানা ৬ মাস চালবেন সাইকেল,পরিবেশ বাঁচাতে দেশ ভ্রমণ চুঁচুড়ার দম্পতির
এই স্কুলে বর্তমান ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা ৮০ জন। আশপাশের ৪ টি গ্রামের ছেলেমেয়েরা এই স্কুলে পড়াশুনা করতে আসতেন। আর এখন বিপাকে পড়েছেন ছাত্রছাত্রী থেকে অভিভাবকরা স্কুল বন্ধ হওয়ার কারণে। স্কুল বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত ১ জন শিক্ষিকা ছিলেন তাও আবার কয়েক দিন আগে অবসর গ্রহণ করেন। যার ফলে স্কুল থেকে টিসি লিখে দেওয়া হচ্ছে যাতে বাচ্চারা অন্য স্কুলে গিয়ে ভর্তি হতে পারে। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষিকা পূর্ণিমা দাস তিনিও মেনে নিয়ে বলেন এই বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের হস্তক্ষেপ করা দরকার। তা নাহলে এই ছোট ছোট ছাত্র ছাত্রীরা কোথায় যাবে এবং তাদের শিক্ষার ভবিষৎ সংশয় রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: মোবাইল ছেড়ে নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে ফুটবল টুর্নামেন্ট
বিষয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সুমিত সরকার জানান এই ঘটনাটি তার নজরে ইতিমধ্যেই এসেছে গ্রামবাসী তরফ থেকে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে যা তিনি সংশ্লিষ্ট ঊর্দ্ধতন দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছেন যা আগামী দিনে খুব শীঘ্রই স্কুলে একজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা নিয়োগ করে স্কুল শুরু করা হবে বলেই তিনি দাবি করেছেন এবং তিনি নিজেও চান যে যেভাবে স্কুলে পড়াশোনা হচ্ছিল তা আগের মতো আবারও শুরু হোক। তবে এখন দেখার আগামী দিনে এই স্কুলের ভবিষ্যৎ কি হয় সেদিকেই তাকিয়ে গ্রামবাসীরা।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
যদিও এই স্কুল এস এস কে এর আওতায় তাই স্কুল পরিদর্শক জানিয়েছেন এস এস কে এর আওতায় থাকা রাজ্যের সমস্ত স্কুলই বন্ধ হয়ে যাবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে।
Rahi Haldar





