ভাষা, দেশ, সংস্কৃতির সব গণ্ডি পেরিয়ে যেখানে মানুষ এক সুতোয় বাঁধা পড়ে-সেই মিলনভূমি হল গঙ্গাসাগর।সাগরতটের ঘাটে ঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কখনও ক্যামেরাবন্দি করছেন মানুষের ঢল, কখনও আবার মুগ্ধ চোখে দেখছেন গঙ্গা-সাগরের অতলান্ত জলরাশি।
হাসিমুখে ফ্যাব্রিস বললেন, “আমরা বিশেষভাবে গঙ্গাসাগর মেলার জন্যই প্যারিস থেকে এসেছি। গত বৃহস্পতিবার ভারতে পৌঁছেছি, আর আগামী শনিবার ফিরে যাব। প্রায় দশ দিনের সফর। এই সময়ের মধ্যেই মেলা দেখছি, আবার আশপাশের গ্রামাঞ্চলও ঘুরে দেখছি।”
advertisement
তাঁর কথায় স্পষ্ট এই মেলার প্রতি কৌতূহল বহুদিনের। “আমি জানতাম, এখানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসমাগম হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি, বিশাল ব্যবস্থাপনা—সব মিলিয়ে ঘটনাটা আমাদের কাছে খুব আকর্ষণীয় ছিল।” বললেন তিনি।
আরও দেখুন কীভাবে আটকাবেন NIPAH সংক্রমণ
ফ্যাব্রিস পেশায় ফ্রান্সের একটি হোটেলের ডিরেক্টর ও ম্যানেজার। প্রতিদিন নানা দেশের মানুষের আতিথেয়তা করার অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে। তবুও গঙ্গাসাগরের অভিজ্ঞতা তাঁকে আলাদা করে ছুঁয়ে গিয়েছে। “এক কথায় বলতে গেলে-অ্যামেজিং” বলেই হেসে ফেলেন তিনি।
তাঁর ভাই রেজিসও সমানভাবে মুগ্ধ। দু’জনেই বলছেন, এমন বিপুল মানুষের সমাবেশ, অথচ তার মধ্যেও একটা শৃঙ্খলা-এটা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। দূর প্যারিস থেকে এসে গঙ্গাসাগরের এই মিলনভূমিতে দাঁড়িয়ে ফ্যাব্রিস-রেজিস বুঝিয়ে দিলেন, মেলা সত্যিই সীমান্ত মানে না, ভাষা মানে না। মানুষের সঙ্গে মানুষের মিলনই তার আসল পরিচয়।
Nawab Mullick





