আরও পড়ুনঃ পদবি জটে ভাতা বন্ধ! লক্ষ্মীর ভাণ্ডার না পেয়ে যুবসাথীর দ্বারস্থ এমএ পাশ গৃহবধূ
স্থানীয় সূত্রে খবর, মোয়ার বাজারে কনকচূড়ের চাহিদা রয়েছে। তবে এর বাইরে এই ধানের ব্যবহার কম। তার উপর ইদানিং মোয়া তৈরির ক্ষেত্রেও অনেকেই খাঁটি কনকচূড়ের ব্যবহার করেন না। অন্য খই দিয়েই কাজ চালান। এইসবের জেরে প্রচুর পরিমাণে এই ধানের চাষ হয় না। তাছাড়া এই ধান চাষ করার জন্য উঁচু জমির প্রয়োজন। অন্যান্য ধান নিচু জমিতেই চাষ হয়। সেই কারণেও অনেকে এই ধান চাষ করেন না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বড় জমিতে অন্যান্য ধানের সঙ্গে অল্প একটু জমিতে কনকচূড়ের চাষ করছেন চাষিরা।
advertisement
সুব্রত মণ্ডল নামে কাশীনগরের এক চাষি বলেন কনকচূড়ের দাম ভাল পাওয়া যায় ঠিকই। তবে বেশি জমিতে চাষ করলে খুব একটা লাভ তেমন নেই। অন্য ধানের সঙ্গে অল্প জমিতে এই ধানের চাষ করি। চাষি ও ব্যবসায়ী মহলের দাবি, মোয়ার মত একটি জিনিস যে ধানের উপর নির্ভরশীল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর সেই ধানের চাষ ও বিপণনে প্রশাসনিক নজর দেওয়া হোক।






