শিলিগুড়ি শহরের কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে এসসিএল-র উদ্বোধন হয়েছে। পাঁচদিনব্যাপী এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৭ মে৷ মূলত শহরের ক্রিকেটপ্রেমী মানুষদের কথা মাথায় রেখে এবং স্থানীয় ক্রিকেটারদের প্রতিভা সবার সামনে তুলে ধরতেই এসসিএল আয়োজন করা হয়েছে। আইপিএলের ধাঁচে এই টুর্নামেন্ট ঘিরে উচ্ছ্বাসের ঢেউ শহরে।
আচ্ছা, শিলিগুড়িতে যদি আইপিএল খেলা হত তবে টিমগুলোর নাম কী হত? সেই কল্পনা থেকেই এসসিএল-র টিমগুলোর মজার মজার সব নাম দেওয়া হয়েছে। অগ্রগামী সুপার জায়েন্ট, বাঘাযতীন নাইট রাইডার্স, স্বস্তিকা সুপার কিংস, মুখার্জি চ্যালেঞ্জার্স, বিএসকে রয়্যালর্স, এনএফ রেলওয়ে টাইটানস মালিগাঁও, ঝাড়খন্ড ক্যাপিটালস, নকশালবাড়ি সানরাইজার্স এমনই সব দলের নাম শহরভিত্তিক এই ক্রিকেটে লিগের। ক্রিকেট নিয়ে এমন চমকপ্রদ আয়োজন করেছে শিলিগুড়ির স্বস্তিকা যুবক সংঘ।
advertisement
আরও পড়ুন: নজরে রাজবংশী ভোট! বিজেপিকে টেক্কা দিতে প্রান্তিক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজ অভিষেকের
অসম, ঝাড়খণ্ড, রেলের টিম সহ মোট ৮ টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। আইপিএল-র ধাঁচে মাঠে বড় স্ক্রিন, মিউজিক সিস্টেম, চিয়ার লিডার, রঙিন জার্সি এবং ফ্লাড লাইটের আলোয় খেলা হওয়ায় উচ্ছ্বসিত দর্শকরা। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে এক তারকা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। খেলা চলাকালীন বেশ কিছু ক্ষেত্রে খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য রয়েছে আর্কষণীয় পুরস্কার। এই টুর্নামেন্ট ঘিরে ক্রিকেট প্রেমীদের উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা চোখে পড়ার মত।
এসসিএল প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের ক্রিকেট আধিকারিক তথা এই প্রতিযোগিতার অন্যতম উদ্যোক্তা মনোজ বর্মা বলেন, শিলিগুড়ির ক্রিকেটপ্রেমী মানুষদের জন্যই এমন আয়োজন। এই ক্রিকেট লিগের উদ্বোধন করেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি বলেন, খেলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি আমাদের উন্নতির এক একটা ধাপ। সেই ধাপেরই একটা অঙ্গ এই ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নতুন ক্রিকেট প্রতিভা উঠে আসবে বলে তিনি আসা প্রকাশ করেন।
অনির্বাণ রায়





