সাহেব বাঁধের জলে ভাসতে দেখা যাচ্ছে কচুরিপানা। স্বাভাবিকভাবেই নৌকা বিহার থেকে মুখ ফেরছেন পর্যটকেরা। যার ফলে এক প্রকার পর্যটনশূন্য হয়ে পড়েছে পুরুলিয়ার শিকারা পয়েন্ট। গত কয়েক বছরে শিকারা পয়েন্টে পর্যটকদের যে ঢল নামতো তা এবছর আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ক্রিসমাসের দিনেও শিকারা পয়েন্ট প্রায় পর্যটক শূন্য ছিল।
advertisement
এ বিষয়ে শিকারা পয়েন্টের ইনচার্জ অশোক কুমার ব্যানার্জি জানান, শিকারা পয়েন্ট আগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হলেও বেশ কিছুদিন ধরে তা করা হচ্ছে না। পৌরসভাকে জানানো হয়েছে আশা করা যাচ্ছে তারা খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেবে। শিকারা পয়েন্টের যথেষ্ট নাম ডাক রয়েছে আগামী দিনে আবারও পর্যটকেরা শিকারা পয়েন্টের আসবেন বলে আশা রাখছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Anubrata Mandal Gets Bail: 'জামিন পেলেন, কেমন লাগছে...?' উত্তরে যা বললেন অনুব্রত মণ্ডল!
এ বিষয়ে পুরুলিয়া পৌরসভার পৌর প্রধান নবেন্দু মাহালী বলেন, সাহেব বাঁধ নিয়ে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। প্রথমত, পৌরসভার ফান্ডে ঘাটতি পড়ার কারণে সম্পূর্ণ কচুরিপানা পরিষ্কার করা যাচ্ছে না। তবুও যতটা সম্ভব পরিস্কার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পরিবেশবিদদের মতে সাহেব বাঁধ কচুরিপানা না থাকলে পরিযায়ী পাখিদের আগমন হবে না। এই নিয়ে বেশ কিছু দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলেও চেষ্টা করা হচ্ছে সমস্ত দিকের সামঞ্জস্য বজায় রাখার।
২০১৮ সালে কাশ্মীরের ডাল লেক থেকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে আনা হয় নৌকা। কাশ্মীরের ডাল লেকে নৌকা বিহারের আমেজ উপভোগ করতে পুরুলিয়ার সাহেব বাঁধে ছুটে আসতেন বহু পর্যটক। দীর্ঘ দু'বছর পর আবারো যখন মানুষ চেনা ছন্দে ফিরছে। সেই সময় শিকারা পয়েন্ট পর্যটক শূন্য। কবে আবারো শিকারা পয়েন্টে পর্যটকদের ঢল নামবে ও কবে পরিযায়ী পাখিদের কলরব শোনা যাবে সেদিকেই তাকিয়ে শহরের মানুষেরা।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





