Purulia Trip: শীতের সপ্তাহান্তে ঘুরে আসুন পাহাড়পুর, প্রকৃতির কোলে অপার শান্তির খোঁজ, রইল ঠিকানা

Last Updated:
Purulia Trip: পুরুলিয়ার কাশীপুরে অবস্থিত পাহাড়পুর এখন এক উদীয়মান পর্যটন কেন্দ্র। জেলা প্রশাসনের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পের মাধ্যমে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে।
1/8
*পাহাড়পুর, নামেই রয়েছে পাহাড়। কিন্তু নামে যা নেই, বাস্তবে তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু লুকিয়ে আছে এখানে। উজাড় করা প্রকৃতির রুক্ষ সৌন্দর্য, ঢেউ খেলানো মালভূমি, অভ্রের খনি, শান্তভাবে বয়ে চলা দ্বারকেশ্বর নদী, সবুজ চাষের ক্ষেত আর গ্রামীণ সাদামাঠা জীবন, সব মিলিয়ে পাহাড়পুর যেন প্রকৃতির এক নিরাভরণ রূপ। নতুন বছরে শহরের কোলাহল থেকে দূরে, নিরিবিলি ছুটি কাটাতে চাইলে পাহাড়পুর হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।
*পাহাড়পুর, নামেই রয়েছে পাহাড়। কিন্তু নামে যা নেই, বাস্তবে তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু লুকিয়ে আছে এখানে। উজাড় করা প্রকৃতির রুক্ষ সৌন্দর্য, ঢেউ খেলানো মালভূমি, অভ্রের খনি, শান্তভাবে বয়ে চলা দ্বারকেশ্বর নদী, সবুজ চাষের ক্ষেত আর গ্রামীণ সাদামাঠা জীবন, সব মিলিয়ে পাহাড়পুর যেন প্রকৃতির এক নিরাভরণ রূপ। নতুন বছরে শহরের কোলাহল থেকে দূরে, নিরিবিলি ছুটি কাটাতে চাইলে পাহাড়পুর হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।
advertisement
2/8
*এখানে নেই বিলাস বা বৈভবের ছোঁয়া। তবু সময় কেটে যায় অনায়াসে। দিন গড়ায়, মাস ঘোরে, মরসুম বদলায়, আর তার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় পাহাড়পুরের প্রকৃতির সাজ। এই নির্জনতা আর নিস্তব্ধতাই পাহাড়পুরের আসল সম্পদ।
*এখানে নেই বিলাস বা বৈভবের ছোঁয়া। তবু সময় কেটে যায় অনায়াসে। দিন গড়ায়, মাস ঘোরে, মরসুম বদলায়, আর তার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় পাহাড়পুরের প্রকৃতির সাজ। এই নির্জনতা আর নিস্তব্ধতাই পাহাড়পুরের আসল সম্পদ।
advertisement
3/8
*পুরুলিয়ার কাশীপুরে অবস্থিত পাহাড়পুর এখন এক উদীয়মান পর্যটন কেন্দ্র। জেলা প্রশাসনের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পের মাধ্যমে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। নতুন বছরে শহরের কোলাহল থেকে দূরে, নিরিবিলি ছুটি কাটাতে চাইলে পাহাড়পুর হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।
*পুরুলিয়ার কাশীপুরে অবস্থিত পাহাড়পুর এখন এক উদীয়মান পর্যটন কেন্দ্র। জেলা প্রশাসনের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পের মাধ্যমে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। নতুন বছরে শহরের কোলাহল থেকে দূরে, নিরিবিলি ছুটি কাটাতে চাইলে পাহাড়পুর হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।
advertisement
4/8
*পাহাড়পুর মূলত প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্যই। সকাল থেকে সন্ধ্যা, দ্বারকেশ্বর নদীর রূপ উপভোগ করতে করতেই কেটে যায় দিন। নদীর ধারে বসে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার সুযোগ এখানে অনায়াসেই মেলে।
*পাহাড়পুর মূলত প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্যই। সকাল থেকে সন্ধ্যা, দ্বারকেশ্বর নদীর রূপ উপভোগ করতে করতেই কেটে যায় দিন। নদীর ধারে বসে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার সুযোগ এখানে অনায়াসেই মেলে।
advertisement
5/8
*পাহাড়পুরের কাছেই রয়েছে সোনাঝুরির জঙ্গল এবং বেশ কয়েকটি ছোট ছোট সাঁওতাল গ্রাম। চাইলে সেখানে গিয়ে পুরুলিয়ার আদিবাসী সংস্কৃতি, জীবনযাপন ও প্রকৃতির সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ককে আরও কাছ থেকে অনুভব করা যায়।
*পাহাড়পুরের কাছেই রয়েছে সোনাঝুরির জঙ্গল এবং বেশ কয়েকটি ছোট ছোট সাঁওতাল গ্রাম। চাইলে সেখানে গিয়ে পুরুলিয়ার আদিবাসী সংস্কৃতি, জীবনযাপন ও প্রকৃতির সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ককে আরও কাছ থেকে অনুভব করা যায়।
advertisement
6/8
*পাহাড়পুরে থাকার জন্য রয়েছে একটি ইকো রিসর্ট। অত্যাধুনিক বিলাস না থাকলেও সাধারণভাবে যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই এখানে রয়েছে। প্রকৃতির মাঝেই সহজ-সরল থাকার অভিজ্ঞতা এই জায়গার মূল আকর্ষণ।
*পাহাড়পুরে থাকার জন্য রয়েছে একটি ইকো রিসর্ট। অত্যাধুনিক বিলাস না থাকলেও সাধারণভাবে যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই এখানে রয়েছে। প্রকৃতির মাঝেই সহজ-সরল থাকার অভিজ্ঞতা এই জায়গার মূল আকর্ষণ।
advertisement
7/8
*পাহাড়পুরের নিকটতম রেলস্টেশন ইন্দ্রবিল হলেও সেখানে সব ট্রেন থামে না। তাই আদ্রা স্টেশনে নামাই সুবিধাজনক। আদ্রা থেকে পাহাড়পুরের দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার। সেখান থেকে গাড়িতে সহজেই পৌঁছানো যায়। পুরুলিয়াগামী বাসে রঘুনাথপুর স্টপেজে নামতে হবে। সেখান থেকে পাহাড়পুর প্রায় ২৯ কিলোমিটার। কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়িতে গেলে সময় লাগবে আনুমানিক ৬ ঘণ্টা।
*পাহাড়পুরের নিকটতম রেলস্টেশন ইন্দ্রবিল হলেও সেখানে সব ট্রেন থামে না। তাই আদ্রা স্টেশনে নামাই সুবিধাজনক। আদ্রা থেকে পাহাড়পুরের দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার। সেখান থেকে গাড়িতে সহজেই পৌঁছানো যায়। পুরুলিয়াগামী বাসে রঘুনাথপুর স্টপেজে নামতে হবে। সেখান থেকে পাহাড়পুর প্রায় ২৯ কিলোমিটার। কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়িতে গেলে সময় লাগবে আনুমানিক ৬ ঘণ্টা।
advertisement
8/8
*শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে চাইলে পাহাড়পুর নিঃসন্দেহে এক অনন্য ঠিকানা। এখানে এসে বুঝবেন, কমেই কত বেশি পাওয়া যায়।
*শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে চাইলে পাহাড়পুর নিঃসন্দেহে এক অনন্য ঠিকানা। এখানে এসে বুঝবেন, কমেই কত বেশি পাওয়া যায়।
advertisement
advertisement
advertisement